ফিরেছে বান্দরবানের পুরোনো রূপ, পথে পথে ফুলের গালিচা
নিষেধাজ্ঞা থাকায় পর্যটক শূণ্য বান্দরবান। স্থানীয়রা ঘরবন্দি। সড়কে গাড়ি চলাচল নেই। এই সুযোগে প্রকৃতি তার পুরোনো রুটিনে মজেছে। বান্দবানের অধিকাংশ রাস্তা যেন সেজেছে ফুলে ফুলে।
বান্দরবানের জাদিপাড়া পাহাড় এলাকাটার জঙ্গল বেশ ঘন। সন্ধ্যা নামলেই একসময় শেয়ালের ডাক শোনা যেত। সেই সঙ্গে শঙ্খ নদের আরেক পাড় থেকে ভেসে আসত হরিণের ডাকও। এছাড়া গাছে গাছে প্রচুর পাখি ও দিন-দুপুরে ছিল বানরে দল। দুই দশক পর আবারো এমন দৃশ্যের দেখা মিলছে পাহাড়ি জেলাটিতে।
বান্দরবানের বাসিন্দা জুয়েল বম বলেন, এমন সুনসান দিন আবারো দেখতে পাবো, তা ভাবিনি। আমাদের কাছে শান্ত ও নিস্তব্ধই ভালো লাগে। এখন আসল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখা যাচ্ছে। রাস্তায় রাস্তায় ঝরা ফুল পড়ে আছে, যা অনেক বছর পর দেখেছি।

বান্দরবান সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক বাওয়াই বলেন, বান্দরবান শহর হিসেবে বেশি দিনের নয়। এত দালানকোঠা, দোকানপাট, ভিড়, সড়কে এত যানবাহন কিছুই ছিল না। বাড়িগুলো ছিল বাঁশ ও গাছের তৈরি মাচাং ঘর। এর চারপাশে ছিল মনকাড়া ফুলের বাগান।
লামার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূর-এ জান্নাত রুমি জানান, এই উপজেলার সঙ্গে সংযোগ প্রবেশ পথে কক্সবাজার জেলার রামু, চকরিয়া উপজেলাসহ সীমান্তবর্তী কিছু সড়কপথ অরক্ষিত রয়েছে। এ কারণে অনির্দিষ্টকালের জন্য 'লকডাউন' থাকবে বলে জানান তিনি।