বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে সর্বসম্মতিক্রমে রেজুলেশনটি গৃহীত হয়। এর আগে এবছরের সেপ্টেম্বরে রেজুলেশনটি উত্থাপন করে বাংলাদেশ।
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন জানান, পক্ষে-বিপক্ষের মতামত বিবেচনায় নিয়ে অবশেষে বাংলাদেশ সব সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে এ রেজুলেশন গ্রহণের পক্ষে আনতে সক্ষম হয়। ভারত, চীন, রাশিয়া, আয়ারল্যান্ড, কানাডা, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, তুরস্ক, মিশর ও নাইজেরিয়াসহ ৬৮টি দেশ রেজুলেশনটির কো-স্পন্সর ছিল।
.png)
রেজুলেশনটি গ্রহণের সময় দেয়া বক্তব্যে মোমেন বলেন, প্রাকৃতিক তন্তু বিশেষ করে বাংলাদেশের পাট ও পাটজাত দ্রব্যের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত উপকারিতা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরে জাতিসংঘে রেজুলেশনটি উত্থাপন করা হয়।
জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে সাংবাদিকদের রাষ্ট্রদূত মাসুদ বলেন, রেজুলেশনটির ফলে পাট ও পাটজাত পণ্যের চাহিদা বৈশ্বিক বাজারে বাড়বে এবং বাংলাদেশের পাটচাষি ও ব্যবসায়ীদের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত হবে।
স্থায়ী প্রতিনিধি আরও বলেন, এই রেজুলেশন প্রাকৃতিক তন্তু ব্যবহারের সুবিধা আর কৃত্রিম তন্তু যেমন প্লাস্টিক ব্যবহারের অসুবিধা তুলে ধরার মাধ্যমে পরিবেশগত বিপর্যয় ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধে ভূমিকা রাখবে।