দরিদ্র হোসেনের জালে ৪০ লাখ টাকার বিরল পোয়া মাছ
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=142802 LIMIT 1

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ৯ ১৪২৭,   ০৬ সফর ১৪৪২

দরিদ্র হোসেনের জালে ৪০ লাখ টাকার বিরল পোয়া মাছ

কক্সবাজার প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:৫৭ ৬ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ০৮:২১ ৭ নভেম্বর ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের মহেশখালী দ্বীপের মাতারবাড়ির দরিদ্র জেলে জামাল হোসেন বহদ্দারের (৬৫) জালে আটকা পড়া ৮১টি কালো পোয়া মাছ বিক্রি হয়েছে ৪০ লাখ টাকায়। 

জানা গেছে, মাতারবাড়ি তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র সংলগ্ন সাইরার ডেইল জেলে পাড়ার বাসিন্দা দরিদ্র জেলে হোসেনের ১০/১২ লাখ টাকা কর্জ রয়েছে। হোসেনের জালে আটকা পড়া মাছ বিক্রির টাকায় তিনি এখন কর্জ শোধ করবেন। নির্মাণ করবেন একটি নতুন ঘর।

হোসেন বহদ্দার ও তার ছেলে মোজাম্মেল বহদ্দার দু’টি নৌকা নিয়ে সাগরে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। মাত্র ২০/২২ অশ্বশক্তি চালিত ইঞ্জিন নৌকা নিয়ে গভীর সাগরে পাড়ি দিয়ে মাছ ধরতে যেতে পারেন না তারা। তাই তাদের জাল ফেলতে হয় সাগরের তীরবর্তী এলাকায়।

মাতারবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ উল্লাহ মাস্টার বুধবার  জানান, হোসেনের জালে কোটি টাকার পোয়া মাছ ধরা পড়ার খবর পেয়ে আমি সাগর তীরে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। আমি এসব বিশাল আকারের পোয়া মাছ দেখে অবাক হয়ে পড়ি।

শওকত ইকবাল মুরাদ নামে একজন বলেন, হোসেন এমনই একজন গরিব জেলে যে, তার কোনো টাকাই নেই বরফ আনার জন্যও। আমরা তড়িঘড়ি করে বরফ এনে মাছগুলো সংরক্ষণের ব্যবস্থা করে দিই। 

তিনি আরো বলেন, মাতারবাড়ি দ্বীপের একদম সাগর তীরবর্তী পানিতে মঙ্গলবার রাতে বাপ-বেটা জাল ফেলেছিলেন। গভীর রাতে বাব হোসেনের নৌকাটিতে টান পড়ে। একটি বড় আকারের মাছের ঝাঁক জালে আটকা পড়ে লাফালাফি করায় নৌকাটিও ভেসে যাচ্ছিল।

আটকা পড়া মাছ নিয়ে বুধবার সকাল ১০টার দিকে তীরে উঠে আসনে বাপ-বেটা। এরপরই চারিদিকে খবর ছড়িয়ে পড়ে। 

কক্সবাজার থেকে মাছ ব্যবসায়ীরাও খবর পেয়ে ছুটে যান মাছ কিনতে। দরদাম করে জাফর সওদাগর, সিরাজ সওদাগর ও মনু সওদাগর মিলে পোয়া মাছগুলো কিনে নেন ৪০ লাখ টাকায়। এসব মাছের সর্বনিম্ন রয়েছে প্রতিটি ১৫ কেজি এবং সর্বোচ্চ ওজন হচ্ছে ৩৭ কেজি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে