Alexa তিন হাজার বছর পুরনো মরদেহ থেকে বের হলো কণ্ঠস্বর!

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০,   ফাল্গুন ৫ ১৪২৬,   ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১

Akash

তিন হাজার বছর পুরনো মরদেহ থেকে বের হলো কণ্ঠস্বর!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:১১ ২৫ জানুয়ারি ২০২০   আপডেট: ১৯:৪৬ ২৬ জানুয়ারি ২০২০

ছবিঃ সংগৃহীত

ছবিঃ সংগৃহীত

তিন হাজার বছর আগে মারা যাওয়া এক মিশরীয় ধর্মযাজকের কণ্ঠস্বর মানুষ শুনলেন এখন। মমি করে সংরক্ষিত রাখা হয়েছিলো তার দেহ। আর ২০২০ সালে এসে সেই মমি থেকেই বের হলো কণ্ঠস্বর। আধুনিক বিজ্ঞানের যুগে সত্যি করা হয়েছে সেই অসম্ভবকে।

ফারাও দ্বিতীয় রামসেসের আমলে ধর্মযাজক ছিলেন নেসিয়ামাম নামের মমিকৃত এই ব্যক্তি। লিডস মিউজিয়ামে রাখা ছিলো তার দেহ। ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডনের গবেষকরা এই বিষয়ে গবেষণা করছেন।

তার মরদেহ এত সুন্দরভাবে সংরক্ষিত ছিলো যে তার কণ্ঠের খুঁটিনাটি স্ক্যান করে গবেষকরা সহজেই তা দেখতে পান। থ্রি ডি প্রিন্ট করে গলার ভিতরটা আসলে কেমন তা বের করে আনেন। তার স্বরযন্ত্র বা ল্যারিংক্সের একটি প্লাস্টিক কপি তৈরি করা হয়েছে। আধুনিক মানুষের তুলনায় তার স্বরযন্ত্রটি অপেক্ষাকৃত ছোট। তাই তার কণ্ঠস্বর হাই পিচের ছিল বলে মনে করছেন গবেষকরা। প্রাচীন মিশরের লোকেদের উচ্চতা আধুনিক মানুষের তুলনায় কম হত।

ইউনিভার্সিটি অফ ইয়র্কের অধ্যাপক জোয়ান ফ্লেচার বলেন, অবশেষে এই গবেষণা সফল হয়েছে। এ যেন মৃত মানুষকে জীবন্ত করে তোলা হচ্ছে।

এই স্বরযন্ত্র ও ভোকাল ট্র্যাক্ট পরীক্ষা করেই তৈরি করা সম্ভব হয়েছে ওই মৃতব্যক্তির কণ্ঠস্বর। আপাতত শুধু একটা স্বর বের করা গিয়েছে। আগামী দুই বছরের মধ্যে একটা সম্পূর্ণ বাক্য তৈরি করাও সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। তাদের আশা, এই গবেষণায় এক নতুন দিগন্ত খুলে যাবে। আগামীদিনে কোনো ব্যক্তির কণ্ঠস্বর তুলে আনা সম্ভব হবে। সফট টিস্যু সংরক্ষণ করা গেলে, এই পদ্ধতি আরো সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচএফ