তালাক মেনে নিতে না পেরে স্ত্রীকে হত্যা, অবশেষে গ্রেফতার
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে সাবেক স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় এমদাদুল হককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে নান্দাইল উপজেলা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় পাঁচ বছর আগে দত্তগ্রাম গ্রামের সাহেদ আলীর মেয়ে লাকি আক্তারকে প্রেম করে বিয়ে করেন তার চাচাতো ভাই একই গ্রামের আহাম্মদ আলীর ছেলে এমদাদুল হক। তিনি ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। লাকি ও এমদাদের সংসারে দুই বছর আগে কন্যা সন্তান মাঈশার জন্ম হয়। নির্যাতন চালানোর অভিযোগ তুলে পাঁচ মাস আগে এমদাদকে তালাক দেন লাকি। এরপর ঢাকায় গিয়ে একটি পোশাক কারখানায় কাজ নেন।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে লাকি ঢাকা থেকে বাড়িতে ফিরলে তালাক নিয়ে তার ওপর ক্ষুব্ধ এমদাদ তার বুকে ছুরি মেরে পালিয়ে যান। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় লাকির। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। এছাড়াও এমদাদের বাবা আহাম্মদ আলী ও মা মমতাজ বেগমকে আটক করা হয়।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি মোখলেছুর রহমান আকন্দ জানান, তালাক মেনে নিতে না পেরে এমদাদ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেন। লাকিকে হত্যার পরই এমদাদ আত্মগোপনে চলে গিয়েছিলেন। প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে বুধবার রাতে নান্দাইলের মোয়াজ্জেমপুরের একটি গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।