শনিবার দুপুরে এ তথ্য জানিয়েছেন ফেনীর সিভিল সার্জন ডা. সাজ্জাদ হোসেন। তিনি জানান, ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টাইন শেষ হওয়ায় তিন প্রবাসী ও তাদের পরিবারের ৪৯ জন সদস্যকে পরীক্ষা করে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। বাকিদের এখনো পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
সিভিল সার্জন আরো জানান, জেলার ২১৬ প্রবাসীসহ ১৪৫৩ জনকে এখনো পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। কোয়ারেন্টাইনের মেয়াদ শেষ হলে তাদের পরীক্ষা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। করোনাভাইরাস মোকাবিলায় ১০৫ শয্যার আইসোলেশন কর্নার প্রস্তুত রয়েছে।
.png)
ফেনীর ডিসি মো. ওয়াহিদুজজামান বলেন, বৃহৎ স্বার্থে প্রবাসীদের স্বেচ্ছায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। কোনো প্রবাসী এ নির্দেশনা অমান্য করলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।