শুক্রবার জার্মানির হামবুর্গে মুখোমুখি হয়েছে পর্তুগাল-ফ্রান্স। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে বলার মতো কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি কোনো দলই। এরপর অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি দুদল।
ম্যাচের শুরুই ছিল ঢিমেতালে। দুই দলই ছন্নছাড়া ফুটবল খেলতে থাকে। ২০তম মিনিটে এসে প্রথম শট নেয় ফ্রান্স। বক্সের বাইরে থেকে থিও হার্নান্দেজের শট আটকে দেন পর্তুগিজ গোলরক্ষক কোস্তা।
.png)
২৮তম মিনিটে ফ্রান্সের এদোয়ার্দো কামাভিঙ্গার বক্সের বাইরে থেকে শট পোস্টের বেশ ওপর দিয়ে চলে যায়।
৪২তম মিনিটে বক্সের কাছে ফ্রি কিক পায় পর্তুগাল। ব্রুনো ফার্নান্দেজের ডানপায়ের শটটিও পোস্টে নাগাল পায়নি, ওপর দিয়েই চলে যায়। প্রথমার্ধে কোনো গোল না হওয়ায় বিরতিতে যায় দুদল।.
বিরতিতে থেকে ফিরে ৫০তম মিনিটে বল নিয়ে পর্তুগালে ডেরায় ভো দৌঁড় দেন এমবাপ্পে। তবে তার নেয়া শটটি সহজেই রুখে দেন কোস্তা।
ম্যাচের ৬১তম মিনিটে জোয়াও ক্যানসালোর নেয়া শটটি দুর্দান্তভাবে সেভ দেন ফরাসি গোলরক্ষক মাইগনান।
এর মিনিট দুয়েক পরই আবারো আক্রমণে ওঠে পতুর্গাল। রাফায়েল লিওর বাঁ পাশ থেকে ক্রস করা বলটি ফ্রান্সের জালে জড়াতে চান ভিতিনহা। কিন্তু তার সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ করেন মাইগনান।
৭০তম মিনিটে পর্তুগালের ডেরায় আক্রমণ চালিয়ে ব্যর্থ হন কামাভিঙ্গা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের বাকি সময়ে একাধিকবার আক্রমণে গিয়েও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি কেউই। এতে ম্যাচটি গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।
অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও কোনো গোল না হওয়ায় ম্যাচ গড়িয়েছে টাইব্রেকারে।