প্রথামার্ধে ৫৬ শতাংশ বল দখলে রেখে পর্তুগাল শট নেয় মোটে দুটি, একটিও লক্ষ্যে ছিল না। আর ৪৪ শতাংশ বল নিয়ন্ত্রণে রেখে ফ্রান্সের ৩ শটের মধ্যে একটি ছিল লক্ষ্যে।
ম্যাচের শুরুই ছিল ঢিমেতালে। দুই দলই ছন্নছাড়া ফুটবল খেলতে থাকে। ২০তম মিনিটে এসে প্রথম শট নেয় ফ্রান্স। বক্সের বাইরে থেকে থিও হার্নান্দেজের শট আটকে দেন পর্তুগিজ গোলরক্ষক কোস্তা।
.png)
২৮তম মিনিটে ফ্রান্সের এদোয়ার্দো কামাভিঙ্গার বক্সের বাইরে থেকে শট পোস্টের বেশ ওপর দিয়ে চলে যায়।
৪২তম মিনিটে বক্সের কাছে ফ্রি কিক পায় পর্তুগাল। ব্রুনো ফার্নান্দেজের ডানপায়ের শটটিও পোস্টে নাগাল পায়নি, ওপর দিয়েই চলে যায়। প্রথমার্ধে কোনো গোল না হওয়ায় বিরতিতে গেছে দুদল।