এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ৪৫.১ ওভারে চার উইকেটে ৩০৯ রান।
মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক এইডেন মার্করাম। দলটির হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন রেজা হেনড্রিকস ও কুইন্টন ডি কক। শুরু থেকেই দেখেশুনে খেলতে থাকেন দুজন।
.png)
ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারের পঞ্চম বলে তানজিদ হাসান তামিমের হাতে জীবন পান রেজা হেনড্রিকস। তবে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তিনি। ইনিংসের সপ্তম ওভারে শরিফুল ইসলামের বলে বোল্ড হন এ ব্যাটার। এর আগে করেন ১২ রান।
তিনে নেমে এদিন ব্যর্থ হয়েছেন রাসি ফন ডার ডুসেন। মেহেদী হাসান মিরাজের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ার আগে মাত্র ১ রান করেন তিনি। এরপর অবশ্য দলকে ভালোভাবেই এগিয়ে নিতে থাকেন ডি কক ও এইডেন মার্করাম।
আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে মাত্র ৪৭ বলে ফিফটি পূরণ করেন ১৫০তম ওয়ানডে ম্যাচ খেলতে নামা ডি কক। মার্করামও পান অর্ধশতকের দেখা। তবে ফিফটির কিছু পরই ফেরেন এ ব্যাটার। এর মাধ্যমে ভাঙে ডি কক-মার্করামের ১৩১ রানের জুটি।
সাকিবের বলে আউট হওয়ার আগে ৬০ রান করেন মার্করাম। সঙ্গীর বিদায়ের একটু পরই সেঞ্চুরি করেন ডি কক। ১০১ বলে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেন প্রোটিয়া ওপেনার। চলতি বিশ্বকাপে এটি তার তৃতীয় সেঞ্চুরি।
চতুর্থ উইকেট জুটিতে দলকে ভালোভাবেই এগিয়ে নিচ্ছেন ডি কক ও হেনরিখ ক্লাসেন। আক্রমণাত্মক খেলা ক্লাসেন পেয়েছেন ফিফটির দেখা। এই বিধ্বংসী ব্যাটারের ফিফটির পর দেড়শ রান পূরণ করেন ডি কক।
এক পর্যায়ে ডাবল সেঞ্চুরির পথে এগোচ্ছিলেন ডি কক। যেভাবে খেলছিলেন তাতে এমন কিছু খুবই সম্ভব ছিল। তবে হাসান মাহমুদের বলে আউট হয়ে রেকর্ড গড়া হয়নি তার। সাজঘরে ফেরার আগে ডি কক খেলেছেন ১৭৪ রানের অসাধারণ ইনিংস।