কিন্তু রোহিতরা কোনো রকম উৎসব করতে চাইলেন না। তাদের মতে, ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত যাবতীয় উৎসব তুলে রাখাই যায়। কারণ, ওই দিনই বিশ্বকাপের ফাইনাল। দলের মতে, কেবল অর্ধেক কাজ হয়েছে।
হোটেলে ফিরে গোটা দল একটি বিরাট কেক কাটে। তার পর সবাই একসঙ্গে নৈশভোজ সারেন। ওটুকুই। এরপরে বাড়তি উচ্ছ্বাস কারও মধ্যেই দেখা যায়নি। গোটা দলের মধ্যে পরিবেশও বেশ হালকা।
.png)
একে অপরের সঙ্গে হাসিঠাট্টা, পিছনে লাগা চলছেই। কেউ মজার জোক্স বলছেন, আবার কেউ অতীতের কোনো মজার ঘটনা টেনে আনছেন। এদিকে অধিনায়ক রোহিত শর্মাও অনেকটা তৃপ্ত। তিনি নিজে ভালো ইনিংস খেলেছেন। দলের কোনো ক্রিকেটারকে নিয়েও চিন্তা নেই।