২০১০ সালে ইংল্যান্ডে খেলতে গিয়ে স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িয়ে পড়েছিলেন আমির। সেসময় তার আইনজীবী হিসেবে কাজ করেছিলেন ইংল্যান্ডের নারজিস খান। পরবর্তীতে তারা দুজন বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হন। তার স্ত্রীর কারণেই মূলত ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পেতে যাচ্ছেন আমির।
যে কারণে পরের মৌসুম থেকে ইংল্যান্ডের স্থানীয় ক্রিকেটার হিসেবে খেলতে পারবেন তিনি। এসেক্স ও গ্লুচেস্টাশায়ারের হয়ে এর আগে কাউন্টি খেলা আমিরকে পেতে চায় ডার্বিশায়ারের। পাকিস্তানের সাবেক প্রধান কোচ মিকি আর্থারের চাওয়াতেই মূলত ডার্বিশায়ারের হয়ে খেলবেন তিনি।
.png)
দ্য হান্ড্রেডের প্রথম আসরে বিদেশি ক্রিকেটার কোটায় লন্ডন স্পিরিটের জার্সিতে খেলেছিলেন আমির। ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পেলে স্থানীয় ক্রিকেটার হিসেবেই ১০০ বলের এই টুর্নামেন্টে খেলতে পারবেন বাঁহাতি এই পেসার। তবে সেসময় পিএসএল খেলতে হবে বিদেশি ক্রিকেটার হিসেবে।
শুধু তাই নয় আমিরের সামনে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) খেলার সুযোগও তৈরি হতে পারে।