ঢাকা,  শনিবার   ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

[ খেলা ]

শুভ জন্মদিন তেভেজ, রোনালদো, নেইমার

ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৫:৫৯, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২
শুভ জন্মদিন তেভেজ, রোনালদো, নেইমার
কার্লোস তেভেজ, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও নেইমার জুনিয়র

ফুটবল বিশ্বে আজ বিশেষ এক তারিখই বলা যেতে পারে। বিশ্বের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীদের পছন্দের কাতারে শীর্ষেই থাকবেন কার্লোস তেভেজ, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও নেইমার জুনিয়র। আজ এই তিনজনেরই জন্মদিন। 

তেভেজ আর্জেন্টিনায়, রোনালদো পর্তুগালে ও নেইমার জন্মেছেন ব্রাজিলে। ভিন্ন ভিন্ন দেশে জন্মালেও তাদের তিনজনই ফুটবল মাঠে দেখিয়েছেন নিজেদের অনন্য নৈপুণ্য। জয় করে নিয়েছেন অগণিত ভক্তের হৃদয়।

১৯৮৪ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েন্স আয়ার্সের সিউদাদেলায় জন্মগ্রহণ করেন তেভেজ। আর্জেন্টিনার হয়ে ২০০৪ অলিম্পিকে সোনা জিতেছেন তিনি। এছাড়া ২০০৩ সালে উরুগুয়েতে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-২০ সাউথ আমেরিকান চ্যাম্পিয়নশিপে আর্জেন্টিনার হয়ে শিরোপা জেতেন এই অ্যাটাকিং ফুটবলার।

আর্জেন্টিনার ২০০৪, ২০০৭ ও ২০১৫ সালের কোপা রানার্স আপ দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তেভেজ। বোকা জুনিয়র্সের হয়ে ক্লাব ক্যারিয়ার শুরু ও শেষ করেছেন তিনি। মাঝে খেলেছেন করিন্থিয়াস, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ম্যানচেস্টার সিটি ও জুভেন্টাসের হয়ে। ক্লাব ক্যারিয়ারে ৭৪৬ ম্যাচে ৩০৮ গোল করেছেন এই কিংবদন্তি।

রোনালদোর কথা তো যতই বলা হোক কম হবে। পর্তুগীজ এই মহাতারকা বর্তমানে আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ গোলদাতা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বর্ষসেরা ফুটবলারের খেতাবজয়ী এই ফরোয়ার্ড উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসেও সর্বোচ্চ গোল দেওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। 

১৯৮৫ সালের আজকের দিনে পর্তুগালের মাদেইরায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন রোনালদো। জাতীয় দলের হয়ে এরই মধ্যে জিতেছেন ইউরো শিরোপা। ক্লাব ক্যারিয়ারে ৯২১ ম্যাচে ৬৮৮ গোল করার পাশাপাশি জাতীয় দলের হয়ে ১৮৪ ম্যাচে ১১৫ গোল করেছেন পর্তুগীজ যুবরাজ।

ব্রাজিলিয়ান সেনসেশন নেইমার দা সিলভা সান্তোস জুনিয়রের জন্ম ১৯৯২ সালের আজকের দিনে। ব্রাজিলের সাও পাওলো রাজ্যের মোজি দাস ক্রুজেস শহরে সিনিয়র নেইমার দা সিলভা এবং নান্দিনি সান্তোসের ঘর আলো করে জন্ম নেন এই ফরোয়ার্ড। ২০১১ এবং ২০১২ সালে দক্ষিণ আমেরিকার বর্ষসেরা ফুটবলার নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।

সান্তোস থেকে বার্সেলোনা হয়ে প্যারিস সেইন্ট জার্মেইনে (পিএসজি) খেলা নেইমারের ফুটবল ক্যারিয়ারে বারবার বাধা হয়ে এসেছে ইনজুরি। ২০১৪ বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে তিনি আহত না হলে হয়তো ব্রাজিলই জিততো শেষ হাসি! জাতীয় দলের হয়ে ১১৬ ম্যাচে ৭০ গোল করার পাশাপাশি ক্লাব ক্যারিয়ারে ৪৫২ ম্যাচে ২৬৫ গোল করেছেন ব্রাজিলিয়ান জাদুকর! 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এএল
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!