নাঈম-মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে বাংলাদেশের শতক
প্রথম দুই টি-২০ হেরে এরমধ্যেই পাকিস্তানের কাছে সিরিজ হাতছাড়া করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। নিজ মাঠে হোয়ইটওয়াশের লজ্জা এড়ানোর সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে মোহাম্মদ নাঈম শেখ ও অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে বাংলাদেশের সেঞ্চুরি।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৬.৪ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১০০ রান।
সোমবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-২০তে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তৃতীয় ডেলিভারিতেই উইকেট পেলেন শাহনওয়াজ দাহানি। আগের ম্যাচের সর্বোচ্চ স্কোরার নাজমুল হোসেন শান্তকে এবার ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারেই হারাল বাংলাদেশ।
দাহানির প্রথম বলটি ছিল ৯০ মাইল গতির। অফ স্টাম্পের বাইরের সেই শর্ট ডেলিভারি বাউন্ডারিতে পাঠান শান্ত। তৃতীয় বলটিও দাহানি করেন গতিময়। এবার ফুল লেংথ। শান্ত ফ্লিক করার চেষ্টায় ওভারব্যালান্সড হয়ে মিস করেন লাইন। বল উড়িয়ে দেয় বেলস। আনন্দে লাফিয়ে ওঠেন দাহানি। ৫ বলে ৫ রানে আউট শান্ত।
পাওয়ার প্লে শেষ হতেই আক্রমণে এলেন উসমান কাদির। দ্বিতীয় বলেই উইকেট পেলেন এই লেগ স্পিনার। ফিরিয়ে দিলেন শামীম হোসেনকে।
সপ্তম ওভারে কাদিরের হাতে বল তুলে দেন বাবর আজম। । তিনিই ভাঙেন ৩০ রানের জুটি।
বেরিয়ে এসে লেগ স্পিনারকে ছক্কায় ওড়াতে চেয়েছিলেন শামীম। যতটা ওপরে তুলতে চেয়েছিলেন পারেননি, যতটা দূরে পাঠাতে চেয়েছিলেন সেটাও পারেননি। সহজ ক্যাচ মুঠোয় ইফতেখার আহমেদ। ২৩ বলে চারটি চারে ২২ রান করেন শামীম।
শামীম হোসেনের মতো আফিফ হোসেনও পারলেন না ইনিংস বড় করতে। বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যানের সম্ভাবনা ইনিংস থামল উসমান কাদিরের বলে ক্যাচ দিয়ে।
দ্বাদশ ওভারে লেগ স্পিনারকে দুটি ছক্কা মেরে ডানা মেলার আভাস দিয়েছিলেন আফিফ। কিন্তু রানের গতি ধরে রাখতে পারেননি পরে। পঞ্চদশ ওভারে কাদির আক্রমণে ফেরার পর আবার ছক্কার চেষ্টায় ছিলেন তিনি। কিন্তু টাইমিং করতে পারেননি, সহজ ক্যাচ গ্লাভসে জমান মোহাম্মদ রিজওয়ান। ভাঙে ৪২ বল স্থায়ী ৪৩ রানের জুটি। দুই ছক্কায় ২১ বলে ২০ রান করেন আফিফ।
মোহাম্মদ নাঈম শেখ ও অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে এগোচ্ছে বাংলাদেশ।