রাসূলের (সা.) বিদায় হজ (পর্ব-১)
পবিত্র কোরআনুল কারিমে মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালা বিভিন্ন আয়াতের মাধ্যমে বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উন্নত চরিত্রের সার্টিফিকেট দিয়েছেন।
রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালা বলেন,
لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ لِّمَن كَانَ يَرْجُو اللَّهَ وَالْيَوْمَ الْآخِرَ وَذَكَرَ اللَّهَ كَثِيرًا
‘যারা আল্লাহ ও শেষ দিবসের আশা রাখে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে, তাদের জন্যে রাসূলুল্লাহর মধ্যে উত্তম নমুনা রয়েছে।’ (সূরা: আহযাব, আয়াত: ২১)।
.png)
আল্লাহ তায়ালা আরো বলেন,
وَإِنَّكَ لَعَلى خُلُقٍ عَظِيمٍ
‘আপনি অবশ্যই মহান চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা: আল কলম, আয়াত: ৪)।
হজরত আয়েশা (রা.)-কে জিজ্ঞস করা হয়েছিলো রাসূলুল্লাহ (সা.) এর চরিত্র কেমন ছিল? তিনি বলেছিলেন, ‘পবিত্র কোরআনই তাঁর চরিত্র।’
বিশ্বনবী রাসূলুল্লাহ (সা.) এর প্রতিটি কথা, প্রতিটি কাজ, মৌন সমর্থন, হাসি, কান্না, আনন্দ, দুঃখ, কথাবার্তা, আলাপ-আলোচনা, উপদেশাবলী, পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র অর্থাৎ পায়ের নখ কাটা থেকে আরম্ভ করে রাষ্ট্র পরিচালনা পর্যন্ত সর্বক্ষেত্রে মানুষের জন্যে রয়েছে অনুসরণের বাস্তব নমুনা। রাসূলুল্লাহর (সা.) জীবনের প্রতিটি পর্যায় অনুসরণযোগ্য বিধায় আলোচনার দাবী রাখে। আজ আমরা শুধুমাত্র প্রিয়নবী হজরত মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহর (সা.) এর বিদায় হজের সংক্ষিপ্ত আলোচনা তুলে ধরছি।
-আল্লামা ছফিউর রহমান মোবারকপুরী’র ‘আর রাহীকুল মাখতুম’ (রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সর্বশ্রেষ্ঠ জীবনী গ্রন্থ) থেকে ‘বিদায় হজ’ অধ্যায়টি হুবুহু তুলে ধরা হলো।
গ্রন্থটি বাংলা ভাষায় অনুবাদ করেছেন- খাদিজা আখতার রেজায়ী।
বিদায় হজ:
দাওয়াত ও তাবলীগের কাজ পূর্ণ হয়েছে। আল্লাহর রবুবিয়ত প্রতিষ্ঠা এবং অন্য সবকিছুর প্রভুত্বের বিলোপ সাধন করে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রেসালাতের ভিত্তিতে একটি নতুন সমাজ গঠন করা হয়েছে। এরপর যেন এর অদৃশ্য ঘোষক রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চেতনা ও মনোজগতে এ অনুভূতি জাগিয়ে দিচ্ছিলো, পৃথিবীতে তাঁর অবস্থানের মেয়াদ শেষ হয়ে এসেছে। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজরত মোয়ায (রা.)-কে ইয়েমেনের গর্ভনর নিযুক্ত করে পাঠানোর সময় অন্যান্য প্রযোজনীয় কথার পর বললেন, ‘হে মোয়ায সম্ভবত এ বছরের পর আমার সঙ্গে তোমার আর সাখাৎ হবে না। হয়তো এরপর তুমি আমার মসজিদ এবং কবরের কাছ দিয়ে অতিক্রম করবে। হজরত মোয়ায (রা.) একথা শুনে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে চিরবিদায়ের কথা ভেবে কাঁদতে লাগলেন।
প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ তায়ালা তাঁর রাসূলকে সে দাওয়াতের সুফল দেখাতে চাচ্ছিলেন, যে পথে তিনি দীর্ঘ বিশ বছর দুঃখ-কষ্ট ও নির্যাতন ভোগ করেছেন। আল্লাহ তায়ালা এও চাচ্ছিলেন, তাঁকে দুঃখ-কষ্ট ভোগের সুফল দেখানোর ব্যবস্থা এভাবে হোক, তিনি হজে সময় মক্কার প্রান্তে আরব গোত্রসমূহের সদস্য এবং প্রতিনিধিদের সঙ্গে সমবেত হবেন। এরপর তারা তাঁর কাছ থেকে দ্বীন ও শরীয়তের বিধি-বিধান সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করেন। তিনি তাদের কাছ থেকে এ মর্মে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন, তাঁর ওপর অর্পিত আমানত তিনি আদায় করেছেন, আল্লাহর পয়গাম মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন এবং উম্মতের কল্যাণের হক আদায় করেছেন। আল্লাহর এরুপ ইচ্ছা অনুযায়ী নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ ঐতিহাসিক হজে গমনের ইচ্ছা পোষণ করেন। তখন আরব মুসলমানরা দলে দলে মক্কায় পৌঁছতে শুরু করেন। সবাই মনে-প্রাণে চাচ্ছিলেন, তারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পদাংক অনুসরণ করে তাঁর আনুগত্য মেনে নেবেন। (এ হাদিস সহিহ মুসলিম শরিফে হজরত জাবের (রা.) বর্ণিত রয়েছে। দ্রষ্টব্য প্রথম খন্ড, পৃষ্ঠা ৩৯৪,হাজ্জাতুন নবী)।
অতঃপর শনিবার দিন নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কার পথে রওয়ানা হওয়ার প্রস্তুতি গ্রহণ করেন। (হাফেয ইবনে হাজার (রা.) এর চমৎকার বিশ্লেষণ করেছেন। কোনো কোনো বর্ণনায় জিলকদ মাসের ৫ দিন বাকি থাকার যে কথা রয়েছে তা সংশোধন করেছেন। দ্রষ্টব্য, ফাতহুল বারী, অষ্টম খন্ড,পৃষ্ঠা ১০৪)।
জিলকদ মাসের তখনো চার দিন বাকি। তিনি মাথায় তেল দেন, চুল আঁচড়ান, তহবন্দ পরেন, চাদর গায়ে জড়ান, কোরবানির পশু সজ্জিত করেন এবং যোহরের পর রওয়ানা হন। আসরের আগেই তিনি যুল হোলায়ফা নামক জায়গায় পৌঁছেন। সেখানে আসরের দুই রাকাত নামাজ আদায় করেন, রাত যাপনের জন্যে তাঁবু স্হাপন করেন। সকারে তিনি সাহাবিদের বললেন, রাতে আমার পরওয়ারদেগারের কাছ থেকে একজন আগান্তুক এসে বলেছে, ইয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এ পবিত্র প্রান্তরে নামাজ আদায় করুন এবং বলুন, হজের মধ্যে ওমরা রয়েছে। (এ বর্ণনা বুখারি শরিফে হজরত ওমর (রা.) থেকে সংকলিত হয়েছে। প্রথম খন্ড, পৃষ্ঠা ২০৭)।
এরপর যোহরের নামাজের নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এহরামের জন্যে গোসল করেন। হজরত আয়িশা (রা.) নিজ হাতে তার পবিত্র দেহে যারিয়া ও মেসক মিশ্রিত খুসবু লাগান। খুসবুর চমক তাঁর সিঁথি এবং পবিত্র দাড়িতে দেখা যাচ্ছিলো। তিনি এ খুসবু ধৌত করেননি। যেমন ছিলো তেমনি রেখে দেন। এরপর তিনি তহবন্দ পরিধান করেন, চাদর গায়ে দেন, যোহরের দুই রাকাত নামাজ আদায় করেন। পরে মোসাল্লায় বসেই একত্রে হজ এবং ওমরাহ এহরাম বেঁধে লাব্বায়ক আওয়াজ দিয়ে বাইরে আসেন। পরে উটনীতে আরোহণ করে দু‘বার লাব্বায়ক বলেন। উটনীতে চড়ে খোলা ময়দানে গিয়ে সেখানেও লাব্বায়ক ধ্বনি উচ্চারণ করেন।
এরপর নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সফর অব্যাহত রাখেন। এক সপ্তাহ পর তিনি এক বিকেলে মক্কার কাছে পৌঁছে যী-তুওয়া নামক জায়গায় অবস্থান করেন এবং ফজরের নামাজ আদায়ের পর গোসল করে মক্কায় প্রবেশ করেন। সেদিন ছিলো দশম হিজরির জিলহজ মাসের চার তারিখ রোববার। মদিনা থেকে রওয়ানা হওয়ার পর পথে আট রাত অতিবাহিত হয়েছে। স্বাভাবিক গতিতে পথ চললে এরুপ সময়েরই প্রয়োজন হয়। মসজিদে হারাম পৌঁছে তিনি প্রথমে কাবা ঘর তাওয়াফ করেন। এরপর সাফা মারওয়ার মধ্যবর্তী জায়গায় সাঈ করেন, কিন্তু এহরাম খোলেননি। কেননা তিনি হজ ও ওমরাহর এহরাম একত্রে বেঁধেছিলেন এবং নিজের সঙ্গে কোরবানির পশু নিয়ে এসে ছিলেন। তাওয়াফ এবং সাঈ শেষে তিনি মক্কার হাজুন নামক স্থানে অবস্থান করেন, কিন্তু দ্বিতীয়বার হজের তাওয়াফ ছাড়া কোনো তাওয়াফ করেননি।
তাঁর যেসব সাহাবি কোরবানির পশু সঙ্গে নিয়ে আসেননি, তিনি তাদের আদেশ দিলেন, তারা যেন নিজেদের এহরাম ওমরায় পরিবর্তিত করে নেন এবং কাবা ঘর তাওয়াফ, সাফা মারওয়ার সাঈ শেষ করে পুরোপুরি হালাল হয়ে যান, কিন্তু যেহেতু তিনি হালাল হচ্ছিলেন না, এ কারণে সাহাবিরা সংশয়াচ্ছন্ন ছিলেন। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি যা পড়ে জেনেছি, সেটা যদি আগে জানতাম, তবে কোরবানির পশু সঙ্গে নিয়ে আসতাম না। যদি আমার সঙ্গে কোরবানির পশু না থাকতো, তবে আমি ও হালাল হয়ে যেতাম। একথা শোনার পর সাহাবিরা আনুগত্যে মাথা নত করেন। যাদের কাছে কোরবানির পশু ছিলো না তারা হালাল হয়ে গেলেন।
জিলহজ মাসের আট তারিখে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিনায় গমন করেন। ৯ জিলহজ তারিখ পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করেন। যোহর, আসর, মাগরিব, এশা এবং ফজর এ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সেখানে আদায় করে সূর্যোদয় পর্যন্ত অপেক্ষা করেন। পরে আরাফাত ময়দানের উদ্দেশে রওয়ানা হন।
সেখানে পৌঁছে দেখেন, নামেরা প্রান্তরে তাঁবু প্রস্তুত রয়েছে। তিনি সেখানে অবতরণ করেন। সূর্য ঢলে পড়লে তাঁর আদেশে কাসওয়া উটনীর পিঠে আসন লাগানো হয়। তিনি প্রান্তরের মাঝামাঝি স্থানে গমন করেন। সে সময় তাঁর চারদিকে এক লাখ চব্বিশ হাজার মহান্তরে এক লাখ চুয়াল্লিশ হাজার মানুষের সমুদ্র বিদ্যমান ছিলো। তিনি সমবেত জনসমুদ্রের উদ্দেশে এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। সে ভাষণে তিনি বলেন, হে লোকসকল! আমার কথা শোনো, আমি জানি না, এবারের পর তোমাদের সঙ্গে এ জায়গায় আর মিলিত হতে পারবো কি না।’ (ইবনে হেশাম, দ্বিতীয় খন্ড, পৃষ্ঠা: ৬০৩)।
তোমাদের রক্ত এবং ধন-সম্পদ পরস্পরের জন্যে আজকের দিন, বর্তমান মাস এবং বর্তমান শহরের মতোই নিষিদ্ধি। শোনো, জাহেলিয়াত যুগের সবকিছু আমার পদতলে পিষ্ট করা হয়েছে। জাহেলিয়াতের খুনও খতম করে দেয়া হয়েছে। আমাদের মধ্যেকার প্রথম যে রক্ত আমি শেষ করেছি তা হচ্ছে, রবিয়া ইবনে হারেসের পুত্রের রক্ত। এ শিশু বনী সাদ গোত্রের দুধ পান করেছিলো। সে সময় হোযায়ল গোত্রের লোকেরা তাকে হত্যা করে। জাহেলীযুগের সুদ খতম করে দেয়া হয়েছে। আমাদের মধ্যেকার প্রথম যে সুদ আমি খতম করেছি তা হচ্ছে আব্বাস ইবনে আব্দুল মোতালেবের সুদ। এখন থেকে সর্ব প্রকার সুদ শেষ করা হলো।
হ্যাঁ! নারীদের ব্যাপারেও আল্লাহকে ভয় করো, কেননা তোমরা তাদের আল্লাহর আমানতের সঙ্গে গ্রহণ করছো এবং আল্লাহর কালেমার মাধ্যমে তাদের হালাল করেছো। তাদের ওপর তোমাদের অধিকার, তারা তোমাদের বিছানায় এমন কাউকে আসতে দেবে না যাদের তোমরা পছন্দ করো না। যদি তারা এরুপ করে তবে তোমরা তাদের প্রহার করতে পারো, কিন্তু বেশি কঠোর প্রহার করো না। তোমাদের ওপর তাদের অধিকার হচ্ছে, তোমরা তাদের ভালো ভাবে পানাহার করাবে এবং পোশাক দেবে।
তোমাদের কাছে আমি এমন জিনিস রেখে যাচ্ছি, যদি তোমরা তা দৃঢ়ভাবে ধারণ করে থাকো তবে কখনো পথভ্রষ্ট হবে না। তা হচ্ছে আল্লাহর কিতাব। (সহিহ মুসলিম, হাজ্জাতুন নবী, প্রথম খন্ড,পৃ: ৩৯৭)।
হে লোকসকল! মনে রেখো, আমার পর কোনো নবী নেই। তোমাদের পরে কোনো উম্মত নেই। কাজেই নিজ প্রতিপালকের ইবাদত করবে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবে, রমজান মাসে রোজা রাখবে, সানন্দ চিক্তে নিজের ধন-সম্পদের জাকাত দেবে, নিজ পরওয়ারদেগারের ঘরে হজ করবে, নিজের শাসকের আনুগত্য করবে। যদি এরুপ করো তবে তোমাদের পরওয়ারদেগারের জান্নাতে প্রবেশ করবে। (ইবনে মাজাহ, ইবনে আসাকের; রাহমাতুল লিল আলামিন, প্রথম খন্ড,পৃ: ২৬৩)।
তোমাদের আমার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে। তোমরা তখন কি বলবে? সাহাবিরা বললেন, আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি, আপনি তাবলীগ করেছেন, পয়গাম পৌঁছে দিয়েছেন, কল্যাণকামনার হক পুরোপুরি আদায় করেছেন। এ কথা শুনে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শাহাদাত আঙ্গুল আকাশের দিকে তুলে এরপর লোকদের দিকে ঝুঁকে তিন বার বললেন, ইয়া রাব্বুল আলামিন, তুমি সাক্ষি থেকো। (সহিহ মুসলিম, প্রথম খন্ড পৃ: ৩৯৭)।
নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণীসমূহ রবিয়া ইবনে উমাইয়া ইবনে খালাফ উচ্চকন্ঠে মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছিলেন। (ইবনে হেশাম,দ্বিতীয় খন্ড, পৃ: ৬০৫)।
তিনি ভাষণ শেষ করার পর আল্লাহ তায়ালা কোরআনের আয়াত নাজিল করেন, ‘আজ তোমাদের জন্যে তোমাদের দ্বীন পূর্ণাংঙ্গ করলাম এবং তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করলাম, আর ইসলামকে তোমাদের দ্বীন মনোনীত করলাম। (সূরা: মায়েদা, আয়াত: ত)।
হজরত ওমর (রা.) এ আয়াত শুণে কাঁদতে শুরু করেন। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, আপনি কাঁদছেন কেন? তিনি বললেন, কাঁদছি এ জন্যে যে, পূর্ণতার পর তো অপূর্ণতাই শুধু বকি থাকে। (বুখারি ইবনে, ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাহমাতুল্লাহ লিল আলামিন, প্রথম খন্ড পৃ: ২৬৫)। চলবে...