গত বছর চৈত্রের পাহাড়ি ঢল আর অতিবৃষ্টিতে কৃষকরা তাদের সোনালী ফসল ঘরে তুলতে পারেননি। এজন্য এবার অন্যান্য বছরের তুলনায় অধিক সতর্ক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর ও আবহাওয়া অধিদফতরসহ সংশ্লিষ্টরা। সোনালী ফসল তোলার আনন্দে হাওরে আবারো জেগেছে প্রাণ। চাঞ্চল্য ফিরেছে হাওরবাসীর জীবনে। ধানের ক্ষেতের প্রতিদিনের পরিবর্তন দেখে মলিন কৃষকের মুখে আবারো দেখা দিয়েছে আনন্দের হাসি।
সিলেট কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছাড়া ধান তুলতে পারলে হাওরের মানুষের দুঃখ অনেকাংশে লাঘব হবে বলে আশা করছেন তারা।
.png)
কৃষকরা যাতে দ্রুত ফসল তুলতে পারেন সে জন্য কৃষি বিভাগ সর্বদা নজর রাখছে বলে জানিয়েছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সিলেট আঞ্চলিক অতিরিক্ত পরিচালক মো. আলতাবুর রহমান।
সিলেট কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, এবারও প্রতিবছরের মতো হাইব্রিড, উপশী ও স্থানীয় জাতের ধানের চাষ হয়েছে।
ওসমানীনগরের কৃষক আবদুল মজিদ বলেন, গত বছর চৈত্রের আগাম বন্যায় আমরা সব হারিয়েছি। তাই এবার সতর্কতার সঙ্গে ধান পাকন ধরায় আগাম ধান কাটা শুরু করেছি। আশা করছি ভালো ফলন পাবো।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সিলেটের অতিরিক্ত আঞ্চলিক পরিচালক মো. আলতাবুর রহমান বলেন, চলতি মৌসুমে বোরো ফসল যথেষ্ট ভাল হয়েছে। বছর জুড়ে স্বাভাবিক বৃষ্টির প্রভাবে ফলন অনেক দ্রুত পাকতে শুরু করছে। এরইমধ্যে প্রায় সকল হাওরে ধান পাকতে শুরু করেছে এবং বিভিন্ন হাওরে ধান কাটা শুরু হয়ে গেছে। পুরো এপ্রিল সময় পেলে শতভাগ ধান কৃষকরা গোলায় তুলতে পারবেন বলেও আশাপ্রকাশ করেন।
ডেইলি বাংলাদেশ/আজ/এমআরকে