রাজবাড়ী সদর উপজেলার কালীতলা কৃষাণী আঁখি বেগম এ বছর ৭৮ শতাংশ জমিতে তামাক চাষ করেছেন। তামাক চাষে দ্বিগুণ লাভ হয়। প্রতি কেজি তামাক ৭৫-১০৩ টাকা বিক্রি হয়। তাছাড়া উৎপাদিত তামাক বিক্রি করতে তেমন বেগ পেতে হয় না। কোম্পানির নির্ধারিত স্থানে নিয়ে গেলেই বিক্রি করা যায়।
কৃষকরা জানান, তামাক চাষে লাভ বেশি। এ আশায় আমরা তামাক চাষ করি। প্রতি বিঘা জমিতে ২০ হাজার টাকা খরচ হলেও বিক্রি হয় কম পক্ষে ৫০ হাজার টাকায়। বেশি লাভ হওয়ায় রাজবাড়ীতে দিনদিন তাই তামাক চাষ বাড়ছে।
.png)
তারা আরো জানান, যে জমিতে তামাক চাষ করা হয় সেই জমিতে পাট ছাড়া অন্য ফসল উৎপাদিত হয় না। হয় না কোনো প্রকার দানা ফসল, যেমন- ধান, মসুর-গম। দানা জাতীয় ফসল রোপন করলে শুধু গাছ হয় কিন্তু ফল ধরেনা।
রাজবাড়ী সদর উপজেলার উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মানিক দাস বলেন, তামাক চাষে অতিরিক্ত নিকোটিনের কারণে জমি উর্বরতা হারায়। জমির ক্ষতিকর দিক নিয়ে কৃষকদের বারবার বোঝানো সত্ত্বে ও তামাক কোম্পানির সার বীজ ও অগ্রিম টাকা দেয়ার ফলে কমানো যাচ্ছে না তামাক চাষ।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য মতে রাজবাড়ীতে এবার ৬৩ হেক্টর জমিতে তামাক চাষ হয়েছে।
ডেইলি বাংলাদেশ/আজ/এমআরকে