জাপানে কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে তরুণরা: এলজিআরডি মন্ত্রী
বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) মতো বহুপাক্ষিক সংস্থাগুলোকে বাদ দিলে একক দেশ হিসেবে জাপান বাংলাদেশকে সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়ে থাকে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
তিনি বলেন, জাপান ও বাংলাদেশের জনসংখ্যার কাঠামোর মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে। এই পার্থক্যকে দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ হিসেবে কাজে লাগাতে হবে।
.png)
শনিবার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে জাপানে দক্ষ শ্রমিক প্রেরণবিষয়ক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. আবদুল মঈন খান বলেন, জাপানের জনসংখ্যা ‘ইনভার্টেড পিরামিড’ বা উল্টো পিরামিডের মতো। সেখানে তরুণের সংখ্যা কম এবং বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বেশি। অন্যদিকে বাংলাদেশে তরুণদের সংখ্যা অনেক বেশি, যা একটি স্বাভাবিক পিরামিডের মতো। দুই দেশের এই বৈপরীত্যকে সুযোগ হিসেবে কাজে লাগাতে হবে।
তিনি বলেন, জাপানে বাংলাদেশের তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির জন্য জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানি ভাষা শিক্ষার জন্য প্রয়োজনে বিশেষায়িত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কথা বলেছেন।
এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলের কর্মহীন মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জাপানের বয়স্ক সেবা খাতে কাজের সুযোগ তৈরি হলে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সমৃদ্ধ হবে। বাংলাদেশে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করে জাপানের এই চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের চমৎকার অর্থনৈতিক ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের মতো বহুপাক্ষিক সংস্থাগুলোকে বাদ দিলে একক দ্বিপক্ষীয় সাহায্যকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ জাপানের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি অর্থনৈতিক সহায়তা পেয়েছে।
ড. আবদুল মঈন খান বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্কের শক্ত ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার কথা ব্যক্ত করেছেন।