ঢাকা,  শনিবার   ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

লুডু খেলার টাকা নিয়ে খুন হন সবুর

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫:৪৩, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯
লুডু খেলার টাকা নিয়ে খুন হন সবুর
সুজন (বামে), রমজান (ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ)

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার ট্রাক হেলপার সবুর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। বাজিতে মোবাইলে লুডু খেলার টাকা নিয়েই তাকে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছেন এসপি মো. আনিসুর রহমান।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এ তথ্য জানান।

সবুর আশুগঞ্জ উপজেলার চরচারতলা গ্রামের রহমত আলীর ছেলে। গত ৫ জুন সকালে চরচারতলা গ্রামের সার কারখানা সড়কে একটি ট্রাক থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের মা হনুফা আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে আশুগঞ্জ থানায় মামলা করেন।

Advertisement

এসপি আনিসুর রহমান জানান, মামলাটি প্রথমে আশুগঞ্জ থানার এসআই শীবাস চন্দ্র দাস তদন্ত করেন। পরবর্তীতে আসামি গ্রেফতার ও হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য মামলাটি জেলা ডিবির এসআই মো. সোহেল কামালের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ক্লুহীন এই হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনে অনুসন্ধানে জানা যায়, চরচারতলা গ্রামের নিলু মিয়ার ছেলে মো. সুজন এবং একই গ্রামের মো. মান্নানের ছেলে মো. রমজান হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।

তিনি আরো জানান, গত ৬ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার পঞ্চবটি এলাকা থেকে আসামি মো. সুজনকে এবং ৭ সেপ্টেম্বর নরসিংদীর বেলাবো থানার নারায়ণপুর গ্রাম থেকে আসামি মো. রমজানকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আসামিরা হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

জবানবন্দিতে তারা জানান, নিহত সবুর প্রায়ই সুজন ও রমজানের সঙ্গে বাজিতে মোবাইলে লুডু গেম খেলতো। গত ৪ জুন দিবাগত রাত সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে রমজান ও সুজনের সঙ্গে ট্রাকে বাজিতে লুডু গেম খেলতে বসেন সবুর। রাত সাড়ে ৩টা থেকে ৪টার দিকে লুডু খেলায় সবুরের কাছে হেরে যান সুজন ও রমজান। পরে সুজন ও রমজান খরচের জন্য সবুরের কাছে কিছু টাকা চান। কিন্তু সুবুর টাকা না দিলে তাদের মধ্যে মারামারি হয়। একপর্যায়ে সবুরকে ট্রাকের ভেতরে থাকা রশি দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত এসপি (প্রশাসন) মো. আলমগীর হোসেন, অতিরিক্ত এসপি (সদর দফতর) মো. আবু সাঈদ, অতিরিক্ত এসপি (নবীনগর সার্কেল) মেহেদী হাসান, সহকারী এসপি (বিশেষ শাখা) আলাউদ্দিন চৌধুরী ও ডিআইও-১ (বিশেষ শাখা) ইমতিয়াজ আহম্মেদ প্রমুখ।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!