মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী মামলার এজাহার গ্রহণ করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এদিন ধার্য করেন।
এর আগে, রোববার রাতে বিসিএসের প্রশ্নফাঁস নিয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (বিপিএসসি) বিরুদ্ধে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর ফেসবুকে সৈয়দ আবেদ আলীর পোস্টগুলো ভাইরাল হতে থাকে।
.png)
এ ঘটনায় পরদিন সোমবার রাতে পুলিশ বাদী হয়ে পল্টন মডেল থানায় আবেদ আলীসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে পিএসসি আইন ২০২৩ সালের ১১/১৫ ধারায় একটি মামলা করেন সিআইডির উপ-পরিদর্শক নিপ্পন চন্দ্র দাস। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরো ৫০/৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এ মামলায় ১৭ জনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এরা হলেন- পিএসসির উপ-পরিচালক মো. আবু জাফর ও মো. জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী পরিচালক মো. আলমগীর কবির, অফিস সহায়ক খলিলুর রহমান ও অফিস সহায়ক (ডিসপাস) সাজেদুল ইসলাম।
এছাড়া আছেন- সাবেক সেনাসদস্য নোমান সিদ্দিকী, ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থী বর্তমানে মিরপুরের ব্যবসায়ী আবু সোলায়মান মো. সোহেল, অডিটর প্রিয়নাথ রায়, ব্যবসায়ী মো. জাহিদুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসের নিরাপত্তা প্রহরী শাহাদাত হোসেন, ঢাকার ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অফিসে কর্মরত মো. মামুনুর রশীদ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মেডিকেল টেকনিশিয়ান মো. নিয়ামুন হাসান, ব্যবসায়ী সহোদর সাখাওয়াত হোসেন ও সায়েম হোসেন এবং লিটন সরকার (বেকার)।
প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য সামনে আসার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সৈয়দ আবেদ আলীর বিপুল সম্পদের তথ্য তুলে ধরেন নেটিজেনরা।
আবেদ আলীর ছেলে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা, পড়েছেন বিদেশে। এরপর দেশের একটি ব্যয়বহুল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েও পড়েছেন। ঢাকার ভেতর তার দুটি বহুতল ভবন, মাদারীপুরে আলিশান বাড়ি রয়েছে। এমন তথ্যও সামনে এসেছে।
সবশেষ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদের জন্য প্রচারণা চালিয়েছিলেন আবেদ আলী। সমাজের বিত্তবান ও প্রভাবশালীদের সঙ্গে নিয়মিত চলাফেরা ছিল তার। প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গেও ছিল ওঠাবসা।