পেরুতে নাইটক্লাবে পুলিশের অভিযান, পদদলিত হয়ে ১৩ জনের মৃত্যু
পেরুর রাজধানী লিমার একটি নাইটক্লাবে অভিযান চালিয়েছে দেশটির পুলিশ। বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে দেয়া নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে নাইটক্লাবটি খোলা রেখেছিলো সেখানকার কর্তৃপক্ষ। সেসময়ে পালাতে গিয়ে পদদলিত হয়ে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
দেশটির পুলিশ ও সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, করোনাবিধি লঙ্ঘন করে শনিবার রাতে থমাস রেস্তোবার ক্লাবের দ্বিতীয় তলায় পার্টি হচ্ছিলো। পার্টি বন্ধে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে অন্তত ১২০ জন পালানোর চেষ্টা করে। সেসময়ে ৬ জন আহত হয়। এদের মধ্যে ৩ জন পুলিশ সদস্য রয়েছে বলেও জানায় তারা।
জানা গেছে, পেরুর রাজধানীর লস অলিভোস জেলার ওই ক্লাবটির আশেপাশে থাকা জনগণ এই পার্টির ঘটনা সম্পর্কে পুলিশকে অবগত করেন।
স্থানীয় রেডিও চ্যানেল আরপিপিকে ন্যাশনাল পুলিশের সদস্য ওর্লান্দো ভেলাস্কো জানান, অভিযানের সময় ওই পরিস্থিতিতে মানুষজন যখন বের হওয়ার চেষ্টা করছিলো তখন হুড়াহুড়ি শুরু হয়। প্রত্যেকেই একে অন্যের আগে যাওয়ার চেষ্টা করছিলো।
এক বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নাইটক্লাবের একটি মাত্র প্রবেশদ্বার। সেখান থেকেই একসঙ্গে পালানোর চেষ্টা করছিলো সবাই। সেসময়ে দরজা ও সিড়ির মাঝে আটকে পড়ে তারা। ফলে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। সেখান থেকে পুলিশ অন্তত ২৩ জনকে আটক করেছে বলেও জানানো হয়।
এর আগে, গত মার্চে পেরুতে নাইটক্লাব ও বার বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়। এছাড়া ১২ আগস্ট থেকে দেশটির সব পারিবারিক অনুষ্ঠান স্থগিতের মেয়াদও বাড়ানো হয়। এছাড়া সাপ্তাহিক ছুটির দিন রোববারে জমায়েত এড়াতে দেশজুড়ে কারফিউ কার্যকর করেছে কর্তৃপক্ষ।
সূত্র- রয়টার্স