শীতে শিশুকে সুস্থ রাখতে খাওয়ান মিষ্টি আলু
শীতের রুক্ষ শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বকের যেমন বাড়তি যত্ন নিতে হয়। তেমনি অতিরিক্ত ঠাণ্ডার কারণে হওয়া নানান শারীরিক সমস্যা থেকে বাঁচতে খেতে হবে পুষ্টিকর খাবার। বড়দের পাশাপাশি ছোটদের জন্য দরকার বাড়তি সতর্কতা।
কেননা ঠাণ্ডার কারণে আপনার ছোট্ট সোনামনির বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। একটু যত্নের খামতি পেলে হয় জ্বর, ঠান্ডাজনিত সর্দি-কাশির মতো অসুখ।
শিশুদের ঠাণ্ডা বাতাস এবং ধুলাবালি থেকে দূরে রাখতে হবে। পাশাপাশি যত্ন নিতে হবে। সঙ্গে খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে নজর দিন। এই শীতে শিশুকে মিষ্টি আলু খাওয়াতে পারেন। এটি স্বাদে মিষ্টি এবং পুষ্টিতে পরিপূর্ণ। এটি শর্করা এবং বিটা ক্যারোটিনের একটি ভালো উৎস। এটি পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এ, সি এবং বি-কমপ্লেক্সের মতো পুষ্টিতে সমৃদ্ধ।
শিশুদের জন্য কী কী উপকার করতে পারে চলুন জেনে নিন-
> মিষ্টি আলু ভিটামিন এ সমৃদ্ধ। যা খুবই স্বাস্থ্যকর, এটি শিশুর বৃদ্ধি এবং শিশুদের চোখের জন্য ভালো। এটিতে বিটা ক্যারোটিন রয়েছে,যা দেহে ভিটামিন এ তৈরি করে। মিষ্টি আলুতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। যা পাকস্থলীতে জেল জাতীয় আঠালো পদার্থ তৈরি করে।
> এতে আপনার শিশুর পেট ভরবে তাড়াতাড়ি এবং দীর্ঘক্ষন তা আজেবাজে খাবার থেকে শিশুকে দূরে রাখবে। মিষ্টি আলু শিশুর মেটাবলিজম বাড়িয়ে তুলতে সক্ষম, সহজপাচ্য হওয়ায় হজমের সমস্যাতেও পড়তে হয় না।
> এতে ভিটামিন সি, ই, কে এবং ভিটামিন নি১ থেকে বি৬ এবং বি৯ এর মতো আরও অনেক ভিটামিন রয়েছে। যা শিশুর শারীরিক বিকাশের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
> এই আলুতে জিঙ্ক সুপারঅক্সাইড, স্পোরামিন, ক্যাটালেস ধরনের অ্যান্টিঅক্সাইডের পরিমাণ বেশি থাকে। যা শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। কোষ্ঠ্যকাঠিন্য দূর করতেও সহায়তা করে।
কখন থেকে শিশুকে মিষ্টি আলু দেবেন-
ছয় মাস বয়সী শিশুকে শক্ত খাবার হিসেবে মিষ্টি আলু দেয়া যেতে পারে। তবে আপনাকে দেখতে হবে যে সহজেই মিষ্টি আলু খাচ্ছে কিনা। খেতে না হলে জোর করবেন না। একবার খাওয়ানোর চেষ্টা করুন। যদি তা না হয় তবে কয়েক দিন পরে আবার চেষ্টা করুন। শিশুকে জোর করে খাওয়ানো ঠিক নয়।