এমনটাই করেন আমেরিকার এক তরুণী। নাম তার জেনিফার। তিনি এই ‘সুখাদ্য’ খেয়েই দীর্ঘ ২০ বছর কাটিয়ে ফেলেছেন। শুধু খিদে মেটানো নয়, গদির স্পঞ্জ খাওয়া যেন নেশায় দাঁড়িয়ে গিয়েছে জেনিফারের। তিনি বলেন, পাঁচ বছর বয়সে প্রথম গাড়ির আসনের স্পঞ্জ খাওয়ার পর থেকেই আমার এই অভ্যাসে হয়।
জেনিফারের বয়স বাড়লেও গদি খাওয়ার অভ্যাসে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বরং দিনে দিনে তার পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছিল। জেনিফার বলেন, আমার সব চেয়ে পছন্দের খাবার হল বালিশের স্পঞ্জ। এ ছাড়া, বিছানায় পাতার গদিও আমি খেয়ে ফেলতে পারি। মেয়োনিজ, মাখন বা সস্ কিছুই লাগে না।
.png)
জেনিফারের এই খাদ্যাভ্যাস দেখে বিস্ময়ে চিকিৎসকরাও। তারা জানিয়েছেন, দীর্ঘ দিন ধরে এমন অদ্ভুত জিনিস খাওয়ার ফলে যে ঐ নারীর শরীরে তেমন কোনো সমস্যা আছে, তাও নয়।
জেনিফার বলেন, গদিতে থাকা স্পঞ্জ খেয়ে গ্যাস ছাড়া আর অন্য কোনো সমস্যা হয়নি। তাও এই নেশা ছাড়ানোর জন্য কম চেষ্টা করিনি আমি। পুরোপুরি ছাড়তে না পারলেও স্পঞ্জ খাওয়ার পরিমাণ কমে এখন প্রতিদিন এক স্কোয়ারফুটে এসে দাঁড়িয়েছে।
যদিও চিকিৎসকরা জেনিফারকে তার অভ্যাস থেকে বিরত থাকতে পরামর্শ দিয়েছেন। কারণ, ভবিষ্যতে এই অভ্যাসই জেনিফারের লিভার, বৃহদন্ত্রে সমস্যা তৈরি করতে পারে। শুধু তাই নয়, এমন অভ্যাস থেকে মৃত্যু পর্যন্তও ঘটতে পারে বলে জানিয়েছেন তারা।
সূত্র: আনন্দবাজার