ঢাকা,  শুক্রবার   ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

[ শিক্ষা ]

সমন্বয়কদের আল্টিমেটামে পদত্যাগ করলেন রাবির রেজিস্ট্রার

রাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৭:১০, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪
সমন্বয়কদের আল্টিমেটামে পদত্যাগ করলেন রাবির রেজিস্ট্রার
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

সমন্বয়কদের আল্টিমেটামের পর ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক তারিকুল হাসান। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন তিনি। 

মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ক্যাম্পাসের সাংবাদিকদের নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

অধ্যাপক তারিকুল হাসান জানান, ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে আজ সকালে উপাচার্য বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। দায়িত্ব পালনকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুসারে কাজ করেছেন বলেও জানান তিনি। 

এর আগে, গতকাল সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক তারিকুল হাসানকে পদত্যাগ করার জন্য আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টা পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক পরিষদ। কারণ হিসেবে সমন্বয়ক পরিষদ উল্লেখ্য করে, ‘আল্টিমেটাম দেওয়ার পরও তিনি পদত্যাগ করছেন না। উলটো পেছনের তারিখে একের পর এক প্রকল্প এবং অন্যান্য কাগজপত্রে স্বাক্ষর করছেন।’ 

সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে সমন্বয়কদের এই আল্টিমেটামের পর শিক্ষার্থীরা বিভক্ত হয়ে পড়েন এবং শিক্ষা কার্যক্রম চালুর দাবি না তুলে এভাবে পদত্যাগের দাবি কেন তোলা হচ্ছে সেটার স্পষ্ট কারণ জানতে চান। 

শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে কয়েক ঘণ্টা পর ফের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে সমন্বয়ক পরিষদ। এতে উল্লেখ্য করা হয়, দেশ স্বাধীনের পর শিক্ষার্থীরা হলে ফিরতে শুরু করে। এরই মধ্যে অনেকেই ক্যাম্পাসে চলে এসেছেন। আমরা ভিসি নিয়োগ হওয়ার জন্য অপেক্ষা না করে ডিনদের সঙ্গে বসে ক্লাস চালু করতে তার সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করতে চেষ্টা করেছি। এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চেষ্টা করেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি। 

১৯৭৩ সালের অধ্যাদেশ অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা এখন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. তারিকুল হাসান। তিনি চাইলে ডিনদের সঙ্গে মিটিং করে ক্লাস চালু করে দিতে পারতেন। কিন্তু তিনি কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে উলটো ফোনই পিক করেন না। 

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা গেছে, পেছনের তারিখে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রে স্বাক্ষর করেছেন তিনি। 

সমন্বয়কদের এই পোস্টের পরেও সমালোচনা থামেনি। শিক্ষা কার্যক্রম দ্রুত চালুর জন্য রেজিস্ট্রারকে সপদে রাখার পক্ষে-বিপক্ষে মত দিতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। অনেকে সমন্বয়ক পরিষদ বাতিলের দাবিও তোলেন। এমন বিতর্কের মধ্যেই সকালে পদত্যাগ করেন ড. তারিকুল হাসান।

ডেইলি-বাংলাদেশ/কেবি
Durga Puja
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!