জানা যায়, মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) শুরু হয় এ উৎসবটি৷ রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টায় সংক্ষিপ্ত সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয় এ নাট্যোৎসব।
জানা যায়, এই ছয়দিনে ছয়টি ভিন্ন ভিন্ন প্রযোজনা প্রদর্শিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের চুরুলিয়া মঞ্চ ও বিভাগটির জিয়া হায়দার থিয়েটার ল্যাবে এই প্রযোজনা প্রদর্শিত হয়। প্রথম দিন সুরোজ বিশ্বাস ও মধুরিমা গোস্বামীর নাট্যরূপ ও নির্দেশনায় ‘বেজড অন অ্যা ফলস স্টোরি’, দ্বিতীয় দিন শুভ্রদেব চক্রবর্তীর নির্দেশনায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নৃত্যনাট্য ‘বিসর্জন’, তৃতীয় দিন হাবিব জাকারিয়ার রচনা ও মো. সাকলাইন আরাফাতের নির্দেশনায় ‘মোমডানা’, চতুর্থ দিন মো. ফুয়াদ হাসান পার্থের নির্দেশনায় সত্যজিৎ রায়ের ‘শঙ্কুর ডায়েরি’, পঞ্চম দিন ভূমিসূত দাশের নির্দেশনায় হিন্দি মনোলগ ‘ইয়েস’ ও ষষ্ঠ দিন আশিস দাশের পরিচালনায় ‘আশ্চর্য মানুষ’ পরিবেশিত হয়৷
.png)

এর আগে গত মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের চুরুলিয়া মঞ্চে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নাট্যোৎসবের সূচনা করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রথিতযশা নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশিদকে নাট্যজন সম্মাননা প্রদান করা হয়।
নাট্যোৎসব সম্পর্কে নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মো. কামাল উদ্দীন বলেন, ‘এই উৎসবে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি নাটক ও পশ্চিমবঙ্গের (ভারত) দুইটি নাট্যদলের তিনটি নাটক পরিবেশিত হয়েছে৷ মূলত এর মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনার সঙ্গে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের পরিবেশনাগুলোর তুলনা দেখাতেই এই আয়োজন। এছাড়াও এর মাধ্যমে এই দুই দেশের সাংস্কৃতিক বিনিময় সাধিত হবে।’
_1708868008.jpg)