জানা যায়, আগামী ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও এর আগের দিন চৈত্রসংক্রান্তির আয়োজনও করা হয়েছে।
ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা যায়, পহেলা বৈশাখ আসার ১০দিন আগে থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের পঞ্চাশোর্ধ শিক্ষার্থী দিনরাত ব্যস্ত সময় পার করছেন। ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ ভবনের নিচতলায় আবহমান বাংলার ঐতিহ্যের নানা অনুষঙ্গের প্রতিচ্ছবি ফুটিয়ে তোলার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন সবাই। লোকজ সংস্কৃতিকে প্রাধান্য দিয়ে রাজা-রানির মুখোশ, বাঘ ও পেঁচার মুখোশ বানানো হচ্ছে। এছাড়াও বাঁশ ও কাঠ দিয়ে হাতি ও ঘোড়া বানাচ্ছেন তারা।
.png)
চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থী তাসনীমুল হাসান মুবিন বলেন, ‘প্রতিবছরের মত এবারো আমরা চারুকলার সিনিয়র-জুনিয়র মিলে একত্রে এই অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিতে কাজ করছি। হাতি, ঘোড়া ও পেঁচার মুখোশ তৈরি করে আবহমান বাঙালির পরিচয়কে ফুটিয়ে তুলতেই এই প্রয়াস। পহেলা বৈশাখ বাঙালির প্রাণের উৎসব। এদিনে চিরায়ত বাঙালির ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে আমাদের এই পরিশ্রম।’
আরেক শিক্ষার্থী তাসনিম আরা বলেন, ‘গত এক সপ্তাহ থেকেই আমরা এই কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের সিনিয়র জুনিয়র সবাই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে এটি সফল হবে, এমনটিই প্রত্যাশা করি। মূলত আমাদের যে বাঙালির ঐতিহ্য, সে ঐতিহ্যকে ফুটিয়ে তুলতেই আমাদের এ আয়োজন।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের পহেলা বৈশাখ আয়োজক কমিটির সভাপতি ও চারুকলা বিভাগের শিক্ষক মাসুম হাওলাদার বলেন, ‘প্রতিবছরের মত এবারো নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বাঙালির প্রাণের উৎসব মঙ্গল শোভাযাত্রায় এ উদ্যোগ নিয়েছে। তারই অংশ হিসেবে আমাদের শিক্ষার্থীরা প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। এখানে আমাদের বাঙালি সংস্কৃতিগুলোকে খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। সবাইকে এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানাই।’