ডিআইইউতে আছে ‘অ্যান্টি-হ্যারাসমেন্ট কমিটি’
বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের বিভিন্ন হ্যারাসমেন্টের শিকার হতে হয়। ইভটিজিং, বুলিং ও সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্টের (যৌন হয়রানি) মতো সমস্যায় পড়তে হয়। তাদের এসব সমস্যা দূর করতে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিআইইউ) আছে ‘অ্যান্টি-হ্যারাসমেন্ট কমিটি’।
ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল বাসেত বলেছেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি মেয়ে শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানি থেকে সম্পূর্ণরূপে নিরাপত্তা দেবার জন্য আমরা শক্তিশালী অ্যান্টি-হ্যারাসমেন্ট কমিটি গড়ে তুলেছি। এই কমিটি নারী শিক্ষার্থীদের সচেতন করবে। সমাজের নানান অসংগতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারবে।
মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেলে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) ফার্মগেট এলাকার গ্রিন রোড ক্যাম্পাসে ‘ইইই’ বিভাগের প্রধান আব্দুল বাসেত ‘সিপিসি গার্লস আড্ডা’ নামক ব্যতিক্রমধর্মী আলোচনার প্রোগ্রামে নারী শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকবৃন্দের উপস্থিতিতে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, মেয়ে শিক্ষার্থীদের ভেতরে যে সুপ্ত ও সূক্ষাতিসূক্ষ্ণ প্রতিভা রয়েছে সেগুলো কাজে লাগাতে হবে। তাদেরকে মুক্ত ও স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ করে দিতে হবে। আর বিশেষ করে স্বাধীনভাবে কাজ করতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের বিভিন্ন রকমের হ্যারাসমেন্টের শিকার হতে হয়। ইভটিজিং, বুলিং ও সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্টের (যৌন হয়রানি) মতো সমস্যায় প্রায় প্রতিনিয়তই পড়তে হয়; তাই আমরা সমস্যা দূরীকরণে এবং নারী শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ক্যাম্পাসে ‘অ্যান্টি-হ্যারাসমেন্ট কমিটি’ও গড়ে তুলেছি যা আমাদের দেশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রায় বিরল।
ডিআইইউ সবসময়ই মেয়ে শিক্ষার্থীদের স্কিল ডেভলপমেন্টের জন্য নানা ধরনের কর্মশালা আয়োজন করে থাকে এই প্রোগ্রামটি সেটির ধারাবাহিকতারই অংশ!
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, এই ব্যতিক্রমধর্মী আড্ডা ও পরামর্শমূলক আলোচনার মধ্য দিয়ে আমরা মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য আরো শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে সক্ষম হবো বলে আশা রাখি। কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ক্লাব সবসময়ই ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সব বিভাগের নারী শিক্ষার্থীদের জন্য এ ধরনের সৃজনশীল ও শিক্ষার্থী বান্ধব প্রোগ্রাম আয়োজন অব্যাহত রাখবে বলে প্রত্যাশা রাখি।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি আব্দুল বাসেত ছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহযোগী অধ্যাপক জাহানারা আক্তার, সহকারী অধ্যাপক তাহজিব-উল-ইসলাম, সহকারী অধ্যাপিকা জনাবা শ্রাবণী বড়ুয়া, সহকারী অধ্যাপক খন্দকার মোহাম্মাদ মহিউদ্দিন এবং জাহিদুল ইসলাম।
এছাড়া উপস্থিত ছিলো ডিআইইউ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ক্লাব (সিপিসি)’র সভাপতি রওনক বোরহান হিমেল, সাধারণ সম্পাদক লুবানা আক্তারসহ কমিটির সব সদস্যবৃন্দ এবং সব ব্যাচের মেয়ে শিক্ষার্থী।