মৌসুমি ব্যবসায়ীদের চামড়া কেনা নিয়ে বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি এড়াতে সমাধান দিয়েছেন পুরান ঢাকার পোস্তার কাঁচা চামড়ার আড়তদারদের সংগঠন বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিনস মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএইচএসএমএ) সাধারণ সম্পাদক হাজি মো. টিপু সুলতান। মৌসুমি ব্যবসায়ীরা কেমন দামে মাঠ পর্যায়ে অর্থাৎ লবণ ছাড়া চামড়া কিনবেন তার একটা ধারণা দিয়েছেন তিনি।
হাজি মো. টিপু সুলতান বলেন, সরকার বেঁধে দিয়েছে লবণযুক্ত চামড়ার দাম। মৌসুমি ব্যবসায়ীদের অবশ্যই এর চেয়ে কম রেটে কাঁচা চামড়া কিনতে হবে। কারণ মাঝারি আকারের একটি গরুর চামড়া সংরক্ষণে ৮-৯ কেজি লবণ লাগে। এর সঙ্গে লেবার কস্ট, গোডাউন ভাড়া আছে।
.png)
তিনি আরো বলেন, কোরবানির গরুর চামড়ার দাম সাইজের উপর নির্ভয় করে। এক লাখ বা তার কম দামের গরুকে ছোট সাইজ বলা যায়। এসব গরুর চামড়া ২০-২২ বর্গফুট হবে। এই আকারের লবণ ছাড়া কাঁচা চামড়া ৫০০ টাকায় কিনতে হবে। এক লাখের বেশি থেকে দেড় লাখ পর্যন্ত গরু মাঝারি সাইজের। এই আকারের গরুর চামড়ার দাম হবে ৬০০-৭০০ টাকা। আর দুই লাখ বা তার বেশি দামের গরু বড় আকারের। এই গরুর চামড়ার দাম ৮০০-১০০০ টাকা।
বিএইচএসএমএ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আড়তে দ্রুত চামড়া আনার বিষয়টিকে মৌসুমি ব্যবসায়ীদের সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ গরু কোরবানির পর যত দ্রুত চামড়া আড়তে আসবে, তত বেশি দাম থাকবে।
গত ২৫ জুন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ট্যানারি মালিক, ট্যারিফ কমিশনসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করে ঢাকায় ৩ টাকা, বাইরে ৫ টাকা বাড়িয়ে গরুর কাঁচা চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দেয় সরকার। খাসি ও বকরির চামড়ার দাম গতবারের মতোই রাখা হয়েছে।
আগের বছর ঢাকায় প্রতি বর্গফুট গরুর লবণযুক্ত কাঁচা চামড়ার দাম ছিল ৪০ থেকে ৪৫ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ছিল ৩৩ থেকে ৩৭ টাকা। খাসির লবণযুক্ত চামড়ার দাম ছিল প্রতি বর্গফুট ১৫ থেকে ১৭ টাকা এবং বকরির চামড়া ছিল ১২ থেকে ১৪ টাকা বর্গফুট।