স্কটিশদের দেয়া ৯০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে প্রথম বলেই সাজঘরে ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম। ব্যক্তিগত ১০ রানে শামীম হোসেন ফেরার পর পারভেজ হোসেন আউট হন ২৫ করে। মাত্র ৩৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে পরাজয়ের শঙ্কা দেখা দেয় টাইগার শিবিরে।
তবে বাকি পথে আর কোনো অঘটন ঘটতে দেননি তৌহিদ হৃদয় ও মাহমুদুল হাসান জয়। দুজনের অপরাজিত ৫৬ রানের জুটিতে ৩ উইকেটে হারিয়েই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। তৌহিদ ১৭ ও জয় ৩৫ রানে অপরাজিত থাকেন।
.png)
এর আগে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় স্কটল্যান্ড। মাত্র ২১ রানেই টপ অর্ডারের চার উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে স্কটল্যান্ড। সেখান থেকে তারা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টার করছিলো উজ্জাইর শাহ ও ড্যানিয়েল কেয়ার্নের ব্যাটে। দলীয় ৫২ রানের মাথায় কেয়ার্নসকে সাজঘরে ফিরিয়ে ব্রেক থ্রু এনে দেন মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী।
এরপর রাকিবুল হাসানের হ্যাটট্রিকে স্কটিশদের রীতিমতো কোনঠাসা করে ফেলে জুনিয়র টাইগাররা। বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৩০.৩ ওভারে মাত্র ৮৯ রানে সবকটি উইকেট হারায় তারা। সর্বোচ্চ ২৮ রান করেন উজ্জাইর শাহ। দুই অঙ্ক ছোঁয়া অন্য দুই ব্যাটসম্যান জেমি কেয়ার্নস ১৭ ও অ্যাঙ্গাস গাই করেন ১১ রান।
বাংলাদেশের সফলতম বোলার রাকিবুল হাসান ২০ রান খরচায় নেন ৪ উইকেট। দুটি করে উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম ও তানজিম হাসান সাকিব। বাকি দুটি উইকেট ভাগ করে নেন শামীম হোসেন ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী।
টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৯ উইকেটে জয় লাভ করে বাংলাদেশ। তাদের দেয়া ১৩০ রানের লক্ষ্য মাত্র ১১.২ ওভারেই পেরিয়ে গিয়েছিল আকবর আলীর দল। এ ম্যাচ জেতায় এক ম্যাচ হাতে রেখে সুপার লিগ নিশ্চিত করলো বাংলাদেশ।