ঢাকা,  বুধবার   ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

চুয়াডাঙ্গায় হত্যা মামলায় দু'জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৭:২১, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গায় হত্যা মামলায় দু'জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
চুয়াডাঙ্গায় হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি ইসমাইল হোসেন ও আবুল কালাম। ছবি- ডেইলি বাংলাদেশ

দীর্ঘ ১৭ বছর পর চুয়াডাঙ্গায় ঝন্টু হত্যা মামলায় দু'জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। এ সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। একই সঙ্গে তাঁদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, আলমডাঙ্গা উপজেলার গাংনী ইউনিয়নের শালিকা গ্রামের সোলায়মান আলীর ছেলে ইসমাইল হোসেন ও একই গ্রামের মৃত আবু ছদ্দিনের ছেলে আবুল কালাম আজাদ।  

বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ আদালত-সংশ্লিষ্ট শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শিমুল কুমার বিশ্বাস এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত ঝন্টুর বাবা জাহা বক্স মণ্ডল ২০০৯ সালের ২০ এপ্রিল আলমডাঙ্গা থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ইসমাইল হোসেনকে আসামি করা হয়। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনকে অভিযুক্ত করা হয়।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, বাদী ও অভিযুক্ত ইসমাইল হোসেন পান ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০০৯ সালের ১৯ এপ্রিল রাত সাড়ে ৭টার দিকে মুঠোফোনে ইসমাইলের কল পেয়ে টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন ঝন্টু। পরদিন গ্রামের একটি ধানখেতে তাঁর মরদেহ পাওয়া যায়। আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে বলে এজাহারে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়।

মামলার তদন্তে ইসমাইল হোসেনের পাশাপাশি একই গ্রামের মৃত আবু ছদ্দিনের ছেলে আবুল কালাম আজাদের সম্পৃক্ততার বিষয়টিও উঠে আসে। তদন্ত কর্মকর্তা ২০০৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর তাঁদের দুজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন। পরবর্তী সময়ে তদন্ত শেষে তাঁদের দুজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

রায়ের বিষয়ে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট আ. স. ম. আব্দুর রউফ বলেন, “২০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন। জরিমানা অনাদায়ে তাঁদের আরও দুই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট। পরিবারটি ন্যায়বিচার পেয়েছে।”

ডেইলি-বাংলাদেশ/চুয়াডাঙ্গা
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!