নদী ভাঙন রোধে দুইশ’ কোটি টাকার প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে
ঝালকাঠি জেলায় নদী ভাঙন রোধে দুইশ’ কোটি টাকার প্রকল্প পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল। এই প্রকল্প পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় থেকে একনেকে পাশ হলে নদী ভাঙনের মতো বড় সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে বলেও জানান তিনি।
রবিবার দুপুরে ঝালকাঠি জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ ব্যাপারে তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসনকে শুধু চিঠি চালাচালির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
ঝালকাঠি জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন। সভায় জেলার সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি, চলমান প্রকল্প এবং বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়।
আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার, জেলার নামের বানান পরিবর্তন, ধানসিঁড়িসহ বিভিন্ন নদ-নদী খনন, বাসন্ডা সেতু, ছৈলার চর, ইকোপার্ক ও কালচারাল ভিলেজের উন্নয়ন, পেয়ারা বাগানের উন্নয়ন, বিসিক শিল্পনগরীর ব্যবস্থাপনা, নদীর তীরে ওয়াকওয়ে নির্মাণ এবং স্পোর্টস ভিলেজ স্থাপন।
এ ছাড়া জেলার শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়ন নিয়েও আলোচনা হয়। এ সময় টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের মূল পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে। পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কার্যক্রমের সমন্বয়, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং জনসেবার মান বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মামুন আল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক জুলিয়া সুকায়না, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. তৌহিদুল ইসলাম, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আমান উল্লাহ সরকার, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নিরোধ বরণ জয়ধর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আবদুল্লাহ আল মামুন, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. এনামুল হক, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী মাহমুদউল্লাহ, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবু সাইদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেগুফতা মেহনাজ, রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরি এবং কাঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মকবুল হোসেনসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।