ঢাকা,  শনিবার   ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসে পটুয়াখালীতে এমপ্যাথী হাসপাতালের র‍্যালি ও সমাবেশ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২০:৫৯, ১০ অক্টোবর ২০২৬
বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসে পটুয়াখালীতে এমপ্যাথী হাসপাতালের র‍্যালি ও সমাবেশ
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে পটুয়াখালীতে র‍্যালি ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেছে এমপ্যাথী মানসিক হাসপাতাল ও মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, মানসিক রোগ নিয়ে সামাজিক কুসংস্কার দূর করা এবং আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি মানবিক আচরণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

সকাল ৯টায় শহরের ঝাউতলা থেকে র‍্যালিটি শুরু হয়। পরে নিউমার্কেট ও ব্যায়ামাগার মোড় প্রদক্ষিণ করে মেডিসন স্কয়ারের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এরপর এমপ্যাথী হাসপাতালের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন এমপ্যাথী হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট মনোরোগ বিশেষজ্ঞ অবসরপ্রাপ্ত মেজর প্রফেসর ডা. আব্দুল ওহাব মিনার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশের (আইডিইবি) পটুয়াখালী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার নাজমুল আহসান মুন্না, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার হুমায়ুন কবির সোহাগ, পটুয়াখালী রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালক (শিক্ষা) মো. জাকির হোসেন এবং পটুয়াখালী ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক মো. হারুন অর রশিদ।

এ সময় বক্তব্য দেন অপসোনিন ফার্মাসিউটিক্যালসের এরিয়া ম্যানেজার মো. শামীম, ছাত্রশক্তির পটুয়াখালী জেলা আহ্বায়ক মিরাজ ইমতিয়াজসহ অন্যান্য অতিথি।

বক্তারা বলেন, শারীরিক স্বাস্থ্যের মতো মানসিক স্বাস্থ্যও সমান গুরুত্বপূর্ণ। মানসিক রোগ নিয়ে সমাজে প্রচলিত কুসংস্কার ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দূর করতে হবে। মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের অবহেলা বা হেয় না করে তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে। একই সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধি, সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে পরিবার ও সমাজের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার মো. কামাল হোসেন বলেন, মানসিক রোগ ও মাদকাসক্তির বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা রয়েছে। তবে মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের নামে কিছু কেন্দ্রে নির্যাতন, অবিচার ও অমানবিক আচরণের অভিযোগ পাওয়া যায়। এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ও চিকিৎসাবিধি অনুসরণ করে রোগীদের যথাযথ সেবা দেওয়া জরুরি। এমপ্যাথী মানসিক হাসপাতাল এসব নীতিমালা অনুসরণ করে চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানটির পৃষ্ঠপোষকতায় ছিল অপসোনিন ফার্মা লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির সহযোগিতায় আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং মানসিক রোগীদের প্রতি ইতিবাচক ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!