মামলার এজাহার ও র্যাব সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম সাদিয়া আক্তার টুম্পার সঙ্গে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিপ্লবের পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং গত ফেব্রুয়ারিতে তারা বিয়ে করেন। বিয়ের পর পরিবারকে না জানিয়ে সাভারের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন তারা।
গত ১৩ মার্চ রাতে বাসার মালিক ঘরের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় ভেতরে লাইট ও ফ্যান চালু থাকলেও বাইরে তালা ঝুলতে দেখেন। সন্দেহ হলে জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে তিনি টুম্পাকে খাটের ওপর নিথর অবস্থায় দেখতে পান।ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন।
.png)
খবর পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজার তালা ভেঙে টুম্পার মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ভিকটিমের ভাই বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে র্যাব-৪ এর আভিযানিক দল হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন এবং অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে ছায়া তদন্ত শুরু করে।
এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-৪ এর সদস্যরা তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে আসামির অবস্থান শনাক্ত করে এবং র্যাব-১২ বগুড়া এর সহায়তায় বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলা সাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে আসামিকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, বিবাহের কিছুদিন পর আসামির সন্দেহ করে তার স্ত্রী কারো সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছে। প্রায় সময় এই বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য হতো। এই ঘটনার জেরে আসামি ১৩ মার্চ ২০২৬ তারিখ ভিকটিম সাদিয়া আক্তার টুম্পাকে তার ভাড়া বাসার মধ্যে শ্বাসরোধে হত্যা করে ঘরের বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে পুলিশ।