যে কারণে হেলিকপ্টার নামল প্রত্যন্ত এই গ্রামে
জীবনে প্রথমবার হেলিকপ্টার দেখে গ্রামের সবাই হতবাক। সবার মনেই প্রশ্ন- কী কারণে হেলিকপ্টার এলো রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার শুভডাঙ্গা ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রাম বিলবাড়িতে।
সবার কৌতুহল নিবৃত করলেন ঐ গ্রামের ছেলে ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ী আবুল হোসেন আকাশ। ভিশন ইলেকট্রনিক্সের ডিলার হিসেবে সারাদেশে শীর্ষ বিক্রেতা হওয়ায় তাকে সংবর্ধনা দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এ কারণে আবুল হোসেন আকাশকে হেলিকপ্টারে করে কক্সবাজারের একটি বিলাসবহুল রিসোর্টে নেয়া হচ্ছে। সেখানেই দেওয়া হবে সংবর্ধনা।
জানা গেছে, ব্যবসায়ী আবুল হোসেন আকাশ ভিশন ইলেকট্রনিক্স পণ্যের একজন ডিলার। পণ্য বিক্রয়ে সারাদেশে দ্বিতীয়বারের মতো শীর্ষস্থান অর্জন করেছেন তিনি। এ কারণে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে তাকে হেলিকপ্টারে করে কক্সবাজারে নিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হবে।
.png)
বিলবাড়ি গ্রামের তফিজ উদ্দীনের ছেলে আবুল হোসেন আকাশ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স এবং মাস্টার্স শেষ করেছেন। লেখাপড়া শেষ করে সোজা গ্রামেই চলে আসেন। নিজের পায়ে দাঁড়াতে ২০১৫ সালে স্থানীয় মচমইল বেলতলা মোড়ে আকাশ ইলেকট্রনিক্স নামে একটি প্রতিষ্ঠান দিয়ে ব্যবসা শুরু করেন।
২০১৯ সালে তুবা ইলেকট্রনিক্স নামে আরেকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু করেন আবুল হোসেন আকাশ। এরপর প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের ভিশন ইলেকট্রনিক্সের ডিলারশিপ। ঐ বছরই সারাদেশে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে তুবা ইলেকট্রনিক্স। পরের বছর উঠে আসে শীর্ষস্থানে। এরপর কোম্পানির পক্ষ থেকে হেলিকপ্টারে করে আকাশকে সিলেটে নিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। চলতি বছর আবারো দেশসেরা হয় তুবা ইলেকট্রনিক্স। এ কারণে এবার আবুল হোসেন আকাশকে কক্সবাজারের নিয়ে যাওয়া হয় সংবর্ধনা দিতে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আকাশের এ প্রতিষ্ঠান মাত্র ছয় বছরে বৃহৎ পরিসরে কার্যক্রম শুরু করেছে। তার প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থান হয়েছে ২০ জনের।
সফল ব্যবসায়ী আবুল হোসেন আকাশ বলেন, আজকের এ সফলতা শুধু আমার একার নয়, আমার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর। আগামীতে ব্যবসার পরিধি আরো বাড়াতে সবার সহযোগিতা ও দোয়া চাই।