ঢাকা,  শনিবার   ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ

কুমিল্লা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২১:০২, ২২ আগস্ট ২০২১
শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে শরিফুল ইসলাম নামের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম উপজেলার শ্রীকাইল কৃষ্ণ কুমার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী শিক্ষক।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শ্রীকাইল কৃষ্ণ কুমার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর বাসায় গিয়ে বিজ্ঞান বিষয়ে প্রাইভেট পড়াতেন ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শরিফুল ইসলাম। শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে তার বাবা-মা শিক্ষক শরিফুল ইসলামকে আর প্রাইভেট পড়াতে হবে না বলে বাসায় যেতে মানা করেন। এতেও ক্ষান্ত হননি শরিফ।

গত বছরের নভেম্বর মাসে উপজেলাপর্যায়ে কুইজ প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে স্কুলে প্রস্তুতিমূলক ক্লাসে ওই ছাত্রীকে নানাভাবে যৌন হয়রানি করতেন। বিষয়টি ওই ছাত্রীর পরিবারের লোকজন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. কামাল উদ্দিন সরকারের নিকট মৌখিক অভিযোগ করলে কোনো প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি শিক্ষক শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এরপর থেকে শিক্ষক শরিফুল ইসলামের শুরু হয় নতুন কৌশল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি আইডি থেকে শুরু হয় ওই শিক্ষার্থীর নামে বিভিন্ন ধরণের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য। বিষয়টি নজরে আসার পর গত ১৪ আগস্ট শিক্ষক শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. কামাল উদ্দিন সরকারের বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন ওই শিক্ষার্থীর মা।

ওই ছাত্রীর মা জানান, এ বিষয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ যদি যথাযথ পদক্ষেপ না নেন তাহলে আমরা শিক্ষক শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নেবো।

অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক মো. শরিফুল ইসলামের মুঠোফোনে জানান, শোকজ পেয়েছি, যথাসময়ে জবাব দেয়া হবে।

প্রধান শিক্ষক মো. কামাল উদ্দিন সরকার বলেন, গত ১৪ আগস্ট বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীর অভিভাবকের নিকট থেকে সহকারী শিক্ষক মো. শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আমরা সভা করে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১৮ আগস্ট শোকজ পত্র পাঠিয়েছি। সেখানে সাত কর্মদিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগের সঠিক তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

উপজেলা নির্বাহী নির্বাহী কর্মকর্তা অভিষেক দাশ বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি খবর নিচ্ছি, দোষ প্রমাণিত হলে অবশ্যই ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!