করোনাকালেও বুড়িমারী স্থলবন্দরে রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড
সারা বিশ্বের ন্যায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বাংলাদেশ। পিছিয়ে নেই বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাটও। করোনার প্রাদুর্ভাবের মাঝেও জেলার বুড়িমারী স্থলবন্দরে কাস্টমসের রাজস্ব আদায়ের হার প্রবৃদ্ধি শতকরা ৯৫ দশমিক ৮৯।
বুধবার বিকেলে বুড়িমারী স্থল শুল্ক স্টেশনের কাস্টমস সহকারী কমিশনার মো. কেফায়েত উল্যাহ মজুমদার রাজস্ব আদায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে রাজস্ব আদায় ছিল ৫৬ কোটি ৭২ লাখ ২৪ হাজার টাকা। ২০২০-২০২১ অর্থবছরে রাজস্ব আদায় হয়েছে ১১১ কোটি ১১ লাখ ৩১ হাজার টাকা। এটি বুড়িমারী স্থলবন্দরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড প্রবৃদ্ধি হার।
বুড়িমারী কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে বুড়িমারী স্থল শুল্ক স্টেশনে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৫২ কোটি টাকা সেখানে আদায় হয় ৪০ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৫০ কোটি টাকা-সেখানে আয় হয় ৬৮ কোটি ৫৬ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৯৪ কোটি ৪১ লাখ ৮৮ হাজার টাকা, সেখানে আদায় হয়েছে ৭৬ কোটি ৫৫ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ১০৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা, সেখানে আদায় হয়েছে ৫৬ কোটি ৭২ লাখ ২৪ হাজার টাকা। ২০২০-২০২১ অর্থবছরে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ১১৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা, সেখানে আদায় হয়েছে ১১১ কোটি ১১ লাখ ৩১ হাজার টাকা।
বুড়িমারী স্থল শুল্ক স্টেশনের কাস্টমস সহকারী কমিশনার মো. কেফায়েত উল্যাহ মজুমদার বলেন, বুড়িমারী কাস্টমসের রাজস্ব আদায়ের রেকর্ড প্রবৃদ্ধি ৯৫.৮৯%। যা বুড়িমারী স্থল শুল্ক স্টেশনের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেকড প্রবৃদ্ধি।
তিনি আরো বলেন, আমরা রাজস্ব বৃদ্ধিতে এইচএস কোড, পণ্যের মূল্য, মিথ্যা ঘোষণা বন্ধ ও পিসিএ (পোস্ট ক্লিয়ারেন্স অডিড) বিষয়ে জোড় দিয়েছি। রাজস্ব আদায়, ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন, রাজস্ব ফাঁকি রোধ, চোরাচালান বন্ধ, দ্রুত পণ্য শুল্কায়ন এবং কাস্টমসের কাজে স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা ও অনিয়ম রোধে সচেষ্ট ছিলাম। কাস্টমসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ ব্যাপারে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে এর সুফল হিসেবে এতো টাকা রাজস্ব আদায় সম্ভব হয়েছে।