ঢাকা,  শনিবার   ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

শাকিব খান এর দাম ১৩ লাখ

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৯:২০, ১ জুলাই ২০২১
শাকিব খান এর দাম ১৩ লাখ
শাকিব খান

কোরবানির ঈদ উপলক্ষে সারাদেশের মত টাঙ্গাইলের ছোট বড় খামারে লালন পালন হয়েছে গরু, ছাগল, মহিষ আর ভেড়া। এর মধ্যে একটি টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার মিরিকপুর গ্রামের কলেজছাত্র ও তরুণ উদ্যোক্তা জোবায়ের ইসলাম জিসানের খামার।

২৫টি ষাঁড় ও গাভি রয়েছে এই খামারে। কোরবানির ঈদে বিক্রির জন্য প্রস্তুত রয়েছে এই খামারের ৬টি ষাঁড়। যার মধ্যে অন্যতম ষাঁড় শাকিব খান। এরই মধ্যে সাত ফুট উচ্চতা আর ৩১ মণ ওজনের ওই শাকিব খানের দাম হাঁকানো হচ্ছে ১৩ লাখ টাকা।

দুই বছর সাত মাস আগে তরুণ উদ্যোক্তা জোবায়ের ইসলাম জিসানের খামারেই জন্ম হয় শাকিব খানের। শান্ত প্রকৃতি ও সাদা রঙের হওয়ায় এর নাম রাখা হয়েছে ‘শাকিব খান’। শাকিব খান লম্বায় সাত ফিট। ওজন প্রায় ৩১ মণ। বয়স দুই বছর সাত মাস। ফ্রিজিয়াম জাতের ষাঁড় গরু শাকিব খান। ষাঁড়টির নাম শাকিব খান আর বেশি বড় হওয়ায় আগ্রহ নিয়ে তাকে দেখতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ এসে ভিড় করছেন। মাঝে মধ্যে ক্রেতারাও আসছেন
ষাঁড়টি কিনতে। খামারি জিসান এই ষাঁড়টির দাম হাঁকাচ্ছেন ১৩ লাখ টাকা। 

এরই মধ্যে কোরবানির ঈদে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে তাকে। এবার কোরবানির ঈদে শাকিব খানই এই উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় গরু বলে দাবি খামারির।

শাকিব খানের মালিক জোবায়ের ইসলাম জিসান বলেন, ষাঁড়টি দেখতে সাদা। ষাঁড়টি খুবই শান্ত প্রকৃতির। উপজেলা প্রাণিসম্পদ দফতরের পরামর্শক্রমে ও কোনও ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার ছাড়াই সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার খাইয়ে গরুটিকে লালন-পালন করেছি। এখন ষাঁড়টির ওজন হয়েছে প্রায় ৩১ মণ। ষাঁড়টির দাম চাচ্ছি ১৩ লাখ টাকা, তবে আলোচনা সাপেক্ষে কিছু কম টাকায়ও বিক্রি করতে পারি।

তিনি বলেন, ২০১৭ সালের শেষের দিকে তিনটি গাভি দিয়ে খামারটি শুরু করি। বর্তমানে আমার খামারে রয়েছে ২৫টি ষাঁড় আর গাভি। এর মধ্যে ৬ টি ষাঁড় এবার কোরবানির ঈদে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। খামারে শাকিব খান ছাড়াও প্রায় একই ওজনের আরও একটি ষাঁড় রয়েছে। তার নাম রাখা হয়েছে ডিপজল। ডিপজল দেখতে কালো। ষাঁড় দুইটির জন্মের পরপরই খামারের ম্যানেজার তাদের নাম রাখে শাকিব খান আর ডিপজল। আমার অবর্তমানে বাবা শফিকুল ইসলাম খামারটি দেখাশোনা করেন। এছাড়াও খামারে একজন কর্মচারি রয়েছে।

বাসাইল উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রৌশনী আকতার বলেন, জিসানের খামারে দেশীয় খাবার খাইয়ে ষাঁড়টিকে লালন-পালন করা হচ্ছে। আমরা নিয়মিত খোঁজ রাখছি। উপজেলায় শাকিব খানই সবচেয়ে বড় ষাঁড়।

এ প্রসঙ্গে বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ হারুনুর রশিদ বলেন, কারো কোরবানির পশু যেন চুরি না হয় সে জন্য পুলিশ বিশেষ টহল ব্যবস্থা শুরু করেছে। একই সঙ্গে গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/জেএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!