ঢাকা,  সোমবার   ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

৮ জন মিলে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ, অজ্ঞান করে মায়ের কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি

গাজীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫:০৯, ১৯ ডিসেম্বর ২০২০
৮ জন মিলে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ, অজ্ঞান করে মায়ের কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি
ছবিঃ ডেইলি বাংলাদেশ

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় এক প্রবাসীর স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় আটজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।

গ্রেফতাররা হলেন- কাপাসিয়া উপজেলার তরগাঁও পূর্ব পাড়া গ্রামের মো. মোস্তফা বেপারীর ছেলে রোমান বেপারী, তরগাঁও এলাকার মো. মহসিন বেপারীর ছেলে মো. জুবায়ের বেপারী, একই এলাকার মফিজ সরদারের ছেলে মো. মোরসালিন সরদার, তরগাঁও এলাকার এহসান বেপারীর ছেলে মো. সাহাবুল হোসেন সাকিব, তরগাঁও বোয়ালের টেক এলাকার শফুর উদ্দিনের ছেলে মাসুম শেখ, একই এলাকার শামসুল হক ভূঁইয়ার ছেলে রাকিব হোসেন, এলাকার বাদল মোড়লের ছেলে মাহফুজুল এবং এ মামলার মূল অভিযুক্ত উপজেলার করিহাতা ইউপির চর খামের গ্রামের আইন উদ্দিনের ছেলে সাখাওয়াত হোসেন।

আরো পড়ুনঃ বিমানে ঘুরে ঘুরে কৌশলে ধনীদের ‘সর্বস্বান্ত’ করেন মুনমুন

জানা গেছে,  ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর বাবার বাড়ি কাপাসিয়ার নবীপুর এলাকায়। গেলো পাঁচ বছর আগে পার্শ্ববর্তী নরসিংদীর মনোহরদীর আহাম্মদপুর এলাকার এক প্রবাসীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে চার বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ওই গৃহবধূ স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। পরদিন বৃহস্পতিবার বিকেলে পূর্ব পরিচিত চরখামের গ্রামের আইন উদ্দিনের ছেলে সাখাওয়াত হোসেন গৃহবধূকে মোবাইল ফোনে বাড়ি থেকে ডেকে আনেন। পরে অন্য বন্ধুদের নিয়ে উপজেলার নরাইদ্দারটেক এলাকার নির্জন স্থানে নিয়ে আটজন মিলে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এতে অজ্ঞান হয়ে পড়েন ওই গৃহবধূ। পরে আসামিরা গৃহবধূকে আটকে রেখে মায়ের কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূর মা বাদী হয়ে কাপাসিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

আরো পড়ুনঃ খাবারের বিল ১৭ হাজার, ওয়েটারকে বকশিশ দিলেন ৪ লাখ

কাপাসিয়া থানার ওসি আলম চাঁদ বলেন, ধর্ষণ শেষে গৃহবধূর মায়ের কাছে মোবাইল ফোনে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে ধর্ষকরা। গৃহবধূর মা বিষয়টি থানা পুলিশকে জানালে অভিযান চালিয়ে ধর্ষণের শিকার নারীকে উদ্ধার করে। পরে গৃহবধূর ভাষ্য অনুযায়ী আটজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গাজীপুর পুলিশের এএসপি (সার্কেল) বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত মারাত্মক। এর সঙ্গে জড়িত প্রায় সবাইকেই গ্রেফতার করা হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/জেএইচএফ/জেডএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!