পেঁয়াজ-ডিমের দাম বেড়েছে, সবজির দর অপরিবর্তীত
সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারগুলোতে পেঁয়াজ ও ডিমের দাম বেড়েছে। এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে অন্যান্য পণ্যের দাম।
শুক্রবার সকালে রাজধানীর মিরপুর ১, ১১, ১৩ নম্বর বাজার, মিরপুর কালশী বাজার ঘুরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের এসব চিত্র উঠে এসেছে।
বাজারে প্রতিকেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। শিম ৪০ থেকে ৬০ টাকা, গোল বেগুন ৮০ টাকা, লম্বা বেগুন ৪০ টাকা, ফুলকপি প্রতিপিস ৪০ টাকা, পাতাকপি ৪০ টাকা, করলা প্রতিকেজি ৮০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা, চাল কুমড়া প্রতিপিস ৪০ টাকা, প্রতিপিস লাউ আকারভেদে ১০০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতিকেজি ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, মুলা ৪০ টাকা, শালগম ৪০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, বরবটি ১২০ টাকা ও মটরশুটি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এসব বাজারে আগের দামে বিক্রি হচ্ছে আলু। নতুন আলু প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪ থেকে ১৫ টাকায়। পুরান আলু ১০ থেকে ১৫ টাকা। এছাড়া ৫ কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা।
বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজিতে। গত সপ্তাহে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। গত সপ্তাহে ভারতের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ৫৫ টাকায়।
১১ নম্বর বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা কবির আহমদ বলেন, বাজারে পেঁয়াজের আমদানি কম থাকায় দাম বেড়েছে। আমদানি বাড়লে দাম কমে আসবে।
বাজারে চায়না রসুন প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি দরে। দেশি আদার কেজি ৬০ টাকা। চায়না আদার দাম কমে বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা। এসব বাজারে কাঁচামরিচ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। শসা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা। এছাড়া লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা।
আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে মসুর ডাল। ভারত থেকে আনা মসুর ডালের কেজি ১০০ টাকা। গত সপ্তাহে ভারতের মসুর ডাল প্রতিকেজি বিক্রি হয় ৯০ থেকে ৯৫ টাকায়। দেশি মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি দরে।
এসব বাজারে ভোজ্যতেলের লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৬৮ টাকা। বাজারে প্রতিকেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা। এছাড়া প্যাকেট চিনি প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকা। আটা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকা।
বাজারে আগের দামে বিক্রি হচ্ছে মুরগি। ব্রয়লার মুরগি প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা। এছাড়া লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা। গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ২৩০ টাকা কেজি দরে।
বাজারে বেড়েছে ডিমের দাম। লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা। হাঁসের ডিমের দাম বেড়ে ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৯৫ টাকা। দেশি মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকা। এছাড়া সোনালি (কক) মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা।
মিরপুর ১১ নম্বর বাজারের ডিম ব্যবসায়ী আব্দুল আলী বলেন, ডিমের উৎপাদন ও আমদানি কম থাকায় দাম বেড়েছে।