কমেছে সবজি-পেঁয়াজের দাম, মাংসের দাম অপরিবর্তিত
সাতদিনের ব্যবধানে বাজারে পণ্যের দামের বেশ ওঠানামা করেছে। এর মধ্যে চাল, ব্রয়লার, সোনালি মুরগি ও ডিমের দাম বেড়েছে। কমেছে সবজি ও পেঁয়াজের দাম। আর অপরিবর্তিত রয়েছে গরু, খাসির মাংস ও বিভিন্ন পণ্যের দাম।
শুক্রবার সকালে রাজধানীর কাওরান বাজার, মিরপুরের মুসলিম বাজার, মিরপুর-১, ১১, ১৩ নম্বর বাজার, মিরপুর কলোনী বাজার, কালশী বাজার ঘুরে পণের দামের চিত্র পাওয়া গেছে।
সাতদিনের ব্যবধানে বাজারে প্রতিকেজি মুলা বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা, গাজর ৩০ টাকা, শালগম ২০ টাকা, শিম ২০ থেকে ৩০ টাকা, করলা ৩০ থেকে ৪০ টাকা, বেগুন ৩০ থেকে ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৩০ থেকে ৪০ টাকা, কাঁচা টমেটো ৩০ থেকে ২৫ টাকা, বরবটি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, আলু ২০ টাকায় পাকা টমেটো ৩০ টাকায়।
এছাড়া প্রতিটি লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৪০ টাকা, ফুলকপি ১০ থেকে ২০ টাকা, বাঁধাকপি ২০ থেকে ৩০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া আকারভেদে ২০ থেকে ৩০ টাকায়।
হালিতে পাঁচ টাকা কমে কাঁচা কলা বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা, জালি কুমড়া ৩০ টাকা, কাঁচা মরিচ প্রতিকেজি ৯০ টাকা, রসুন ১২০ টাকা, আদা ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কেজিতে সাত টাকা কমে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়।
বাজারে প্রতিকেজি চিনিতে পাঁচ টাকা দাম বেড়েছে। প্রতিকেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা, প্রতিকেজি বিআর-২৮ চাল ৫০ থেকে ৫২ টাকা, মিনিকেট ৬৪ থেকে ৬৫ টাকা, নাজির শাইল ৬৫ থেকে ৬৮ টাকা, পোলাওয়ের চাল ৯০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া খোলা ভোজ্যতেল প্রতিলিটার বিক্রি হচ্ছে ১২৭ থেকে ১৩০ টাকায়।
মিরপুর ১৩ নম্বরের মুদি দোকানের ব্যবসায়ী কুদ্দুস মিয়া বলেন, ব্যারেল প্রতি দাম বাড়ায় সাতদিনের ব্যবধানে খুচরা বাজারে ভোজ্যতেলের লিটার প্রতি দুই থেকে পাঁচ টাকা বেড়েছে। তেলের দাম আবারো বাড়বে। এতে মার্চ মাসে ভোজ্যতেলের প্রতিলিটার দাঁড়াবে ১৫০ টাকায়।
এদিকে বাজারে ডিমের দাম বেড়েছে। লাল ডিম প্রতিডজন বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়, হাঁসের ডিম ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা, দেশি মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২০০ টাকায়।
একই সঙ্গে দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে সোনালি (কক) মুরগের। প্রতিকেজি ২১০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ব্রয়লার প্রতিকেজি ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
কাওরান বাজারের মুরগি ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার বলেন, পোল্ট্রি ফার্মে মুরগির উৎপাদন কমে গেছে। ফলে ব্রয়লারের দামবাড়তে শুরু করেছে। তবে বাজারে মুরগি আসতে শুরু করলে আবারো দাম কমে যাবে।
অন্যদিকে গরু ও খাসির মাংস, মসলাসহ অন্য পণ্যের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারে প্রতিকেজি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, বকরি ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, গরু ৫৫০ টাকা ও মহিষের মাংস ৫৫০ থেকে ৫৮০ টাকায়।
এছাড়া বাজারে প্রতিকেজি রুই মাছ দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে (আকারভেদে) ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, মাগুর ৬০০ টাকা, শিং (আকারভেদে) ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা, পাঙাস ১২০ থেকে ১৫০ টাকা, মৃগেল ১১০ থেকে ১৫০ টাকা, ইলিশ (আকারভেদে) ৮৫০ থেকে এক হাজার টাকা, বোয়াল ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, কাতল ১৭০ থেকে ২৮০ টাকা, চিংড়ি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, ফোলি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, পাবদা ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা, পোয়া ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, টেংরা ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০ টাকা, টাটকিনি ১০০ টাকা, সিলভার কার্প ১০০ থেকে ১৪০ টাকা, কৈ দেশি ১৫০ থেকে ৭০০ টাকা, আইর ৫০০, রিডা ২২০ টাকা, কাচকি ২৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, কোরাল ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, রূপচাঁদা মাছ ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, ও বাইলা ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।