জাবির আনন্দশালার ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের বিকাশ কেন্দ্র আনন্দশালার ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় আনন্দশালা প্রাঙ্গণে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম বলেন, 'উন্নত বিশ্বে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হয়। বর্তমান সরকারও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কল্যাণে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের নির্দেশনা রয়েছে।'
তিনি আরও বলেন, "সরকার অনুসৃত নীতির আলোকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের কল্যাণ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন সর্বাত্মকভাবে কাজ করবে। এ সময় তিনি আনন্দশালার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রতি শুভকামনা জানান এবং প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।"
অনুষ্ঠানে ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ উপস্থিত ছিলেন। তিনি আনন্দশালার সার্বিক কল্যাণে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নজরুল ইসলাম, আনন্দশালা স্কুলের পরিচালক (অনারারি) অধ্যাপক ড. রুমানা রইছ, আইবিএ-জেইউর পরিচালক অধ্যাপক ড. আইরীন আক্তার, একই প্রতিষ্ঠানের অধ্যাপক ড. কে এম জাহিদুল ইসলাম, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. এমদাদুল ইসলাম এবং সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. নাসরীন সুলতানাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, আনন্দশালা ২০০৯ সালের ২৮ অক্টোবর চারজন শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ২৫ জন শিক্ষার্থী ও ছয়জন শিক্ষক রয়েছেন। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েই বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এ ধরনের স্কুল রয়েছে।