ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ ক্যাম্পাস ]

জাবিতে দুই শিক্ষার্থীকে মারধর-ছিনতাইয়ের অভিযোগ

জাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১১:৫০, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাবিতে দুই শিক্ষার্থীকে মারধর-ছিনতাইয়ের অভিযোগ
অভিযুক্ত দুই শিক্ষার্থী বায়জীদ ও মুন্না

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) দর্শন বিভাগের ৪৬তম ব্যাচের এক শিক্ষার্থীর দুই আত্মীয়কে পথরোধ করে মারধর, হেনস্তা এবং মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম ব্যাচের দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন দর্শন বিভাগের ৪৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. মাহফুজুর রহমান ও আইন বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সৈয়দা অনন্যা ফারিয়া।

Advertisement

অভিযুক্তরা হলেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৫৪তম ব্যাচের বায়জীদ (ভাসানী হল) ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের ৫৪তম ব্যাচের মুন্না (এসএইচ হল)। তারা দুজনই বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

লিখিত অভিযোগ ও সিসিটিভি ফুটেজের বরাতে জানা যায়, সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে মো. মাহফুজুর রহমানের এসএসসি ও এইচএসসি পড়ুয়া দুই আত্মীয় ক্যাম্পাসে ঘুরতে আসেন। টিএসসির পাশ দিয়ে সপ্তম ছায়ামঞ্চের মোড় অতিক্রমের সময় বায়জীদ ও মুন্না তাদের পথরোধ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

পরে তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামের পেছনে নিয়ে গিয়ে মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ নিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং বিষয়টি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগ অনুযায়ী, পরে অনেক অনুরোধের পর মোবাইল ফোন ফেরত দেওয়া হলেও মানিব্যাগ ফেরত দেওয়া হয়নি।

এদিকে, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনার সময় ৫৫তম ব্যাচের আরও এক শিক্ষার্থীকে হেনস্তার শিকার হতে দেখা যায়। পরে ওই শিক্ষার্থীকে শনাক্ত করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি জানান, দীর্ঘ চুল রাখার কারণে তাকেও হেনস্তা করা হয়েছিল।

জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মো. আব্দুস ছাত্তার বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়েছে। ফুটেজে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হওয়া গেছে। এখন অভিযোগের ভিত্তিতে নিয়মতান্ত্রিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ক্যাম্পাসে এ ধরনের ঘটনার নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এম ইউ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!