নাটোরের গুরুদাসপুরের ধারাবারিষা ইউপির চলনালি গ্রামে এমন ঘটনা ঘটেছে।
ইউএনও মো. তমাল হোসেন বলেন, মঙ্গলবার রাত ১১টায় মোবাইলের মাধ্যমে বাল্যবিয়ের খবর পাই। সেই খবর অনুযায়ী চলনালি গ্রামে গিয়ে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক মেয়ের বাল্যবিয়ে বন্ধ করি। পরে মেয়ের পরিবারের কাছ থেকে প্রাপ্ত বয়সে বিয়ে দেয়ার শর্তে মুচলেকা নেয়া হয়েছে।
.png)
তিনি আরো বলেন, বাল্যবিয়ে ও ইভটিজিং প্রতিরোধে উপজেলার জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিশেষ নম্বর সম্বলিত বিলবোর্ড টানানো হয়েছে। এরপর চার মাসে ৪০টির বেশি বাল্যবিয়ে বন্ধ করেছি। বিলবোর্ডের উদ্যোগটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।