Alexa স্ত্রীর উপার্জনে অসুখী হন স্বামী!

ঢাকা, রোববার   ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ৩০ ১৪২৬,   ১৭ রবিউস সানি ১৪৪১

গবেষণার তথ্য

স্ত্রীর উপার্জনে অসুখী হন স্বামী!

কানিছ সুলতানা কেয়া ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:৩২ ২২ নভেম্বর ২০১৯  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

বিংশ শতাব্দীতে এসেও অনেকেরই মানসিক পরিবর্তন এখনো আসেনি! আধুনিকতা আমাদের অন্তর ছুঁয়ে যেতে পারেনি। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীর সমান অধিকার বা লিঙ্গ সাম্যের কথা ব্যানারেই আটকে আছে।

বিশেষ করে স্ত্রী বেশি উপার্জন করলে তা স্বামীর জন্য পীড়াদায়ক! এমনটাই বলছেন যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব বাথের একদল গবেষক। 

গবেষণায় দেখা যায়, যেসব স্ত্রীর আয় তার স্বামীর চেয়ে বেশি তাদের স্বামীরা মানসিক কষ্টে ভোগেন। তবে স্ত্রী যদি বিয়ের আগে থেকে বেশি উপার্জন করেন সেক্ষেত্রে স্বামী আগে থেকেই স্ত্রীর বেতন এবং পদমর্যাদা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকায় তা অবশ্য কষ্ট দেয় না।   

সংসার জীবন ১৫ বছর হয়েছে এমন ছয় হাজার দম্পতি নিয়ে গবেষণা করা হয়। জরিপে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার দম্পতিদের মধ্যে দেখা যায়, যে নারীরা পুরুষের আয়ের চেয়ে কম আয় করেন এবং সংসারে আয়ের একটা অংশ খরচ করেন সেক্ষেত্রে পুরুষরা মানসিক কষ্টে কম ভোগেন। আবার যে নারীরা সংসারে ক্ষমতা নিয়েও দর কষাকষি করেন। তাদের এই দর কষাকষি এমন পর্যায় চলে যায়, একসময় তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে বিবাহ বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন।  
 
ইউনিভার্সিটি অব বাথ স্কুল অব ম্যানেজমেন্টের অর্থনীতিবিদ ডা.জোয়ানা সিরিদা বলেন, অনেকের মধ্যেই ধারণা রয়েছে, স্বামী তার স্ত্রীর চেয়ে বেশি উপার্জন করবে। কম উপার্জনকারী স্বামীকে সমাজে হেয়ভাবে দেখা হয়। যা স্বামীর জন্য পীড়াদায়ক।

তিনি আরো বলেন, কম আয় করা স্বামী নিজেকে সংসারে মূল্যহীন বোধ করেন এবং সামাজিকভাবে নিজেকে দুর্বল ভাবতে থাকেন। তারা এসব কারণে সবসময় অস্থিরতা এবং হতাশায় ভোগেন। যা তার সার্বিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব পড়ে। 

ডা.জোয়ানা সিরিদা বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানসিকতার অনেক বদল হয়েছে। এখন বেশিরভাগ পুরুষ তার স্ত্রীর উপার্জন এবং পদোন্নতিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেন। তারা স্ত্রীর আয় কম-বেশি নিয়ে মাথা ঘামান না এবং তাদের ওপর খবরদারি করেন না।

সূত্র: মিডডেডটকম  

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএমএস