Alexa মরক্কোর যে শহরগুলো বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়

ঢাকা, রোববার   ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯,   আশ্বিন ৭ ১৪২৬,   ২২ মুহররম ১৪৪১

Akash

মরক্কোর যে শহরগুলো বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়

ভ্রমণ ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০৯:২৭ ২৪ আগস্ট ২০১৯   আপডেট: ১৫:১৬ ২৪ আগস্ট ২০১৯

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

আফ্রিকার সবচেয়ে পশ্চিমের দেশ মরক্কো। সমুদ্রসৈকত ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি ইসলামিক নানা নিদর্শনে ভরা দেশটি। প্রাচীন ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক নানা নিদর্শনের টানে দেশটির বিভিন্ন শহরে প্রচুর বিদেশি পর্যটক বেড়াতে যান। চলুন জেনে নেয়া যাক দেশটির পাঁচটি জনপ্রিয় শহর সম্পর্কে-

রাবাত

মরক্কোর রাজধানী রাবাত-এর নাম অনেকেরই জানা। এই শহরে যানজটের বালাই নেই বললেই চলে। কারণ শহরে প্রধান সড়কগুলো একমুখী ও প্রশস্ত। তাছাড়া সমুদ্র উপকূলবর্তী হওয়ায় এখানকার আবহাওয়া সারাবছরই ভালো। এ শহরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থান কাসবাহ উদাইয়া। ‘কাসবাহ’ অর্থ ‘দুর্গ’। আটলান্টিক মহাসাগরের স্বচ্ছ নীল পানি যেন আছড়ে পড়েছে শহরের বাড়িগুলোর দেয়ালে। সঙ্গে রয়েছে নীল ও সাদা রং।

কাসাব্লাঙ্কা

‘কাসা ব্লাঙ্কা’– এই নামের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাসাব্লাঙ্কা শহরের বাড়িগুলো সাদা। এ শহরের অলি-গলিতে ছড়িয়ে আছে হাজারো বাজার, হামাম, ফেরিওয়ালা আর নাম না জানা সব শিল্পী৷ এখানে রয়েছে হাসান মস্ক মসজিদ। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে দর্শনীয় মসজিদের একটি। সমুদ্রের নীল ঢেউয়ে ভাসমান সুউচ্চ মিনারসহ এই মসজিদটি তৈরি করেন রাজা ষষ্ঠ মোহাম্মদের বাবা দ্বিতীয় হাসান। কাসাব্লাঙ্কা শহরের অন্যান্য ইমারতগুলি ধবধবে সাদা হলেও, এই ‘হাসান মস্ক’ কিন্তু লাল বেলেপাথরের তৈরি। এর নকশা তৈরি করেছিলেন ফরাসি স্থপতি মিশেল প্যাঁসো।

মারাক্কেশ খাবারের জন্যও বিখ্যাত

মারাক্কেশ

মরক্কোনরা মারাক্কেশ শহরটিকে সাজিয়েছে পর্যটকদের জন্য। প্রশস্ত রাস্তা, এবং রাস্তার দু’ধারে কমলা লেবুর মত দেখতে সিট্রাস ঝুলে থাকে গাছে। সবচেয়ে আকর্ষণীয় হল ঘোড়ার গাড়ি ও জামা আল ফানা স্কয়ার। এই স্কয়ারে সাপুড়িদের বাশি, হকারদের হাকডাক খুবই উপভোগ্য।  পাশে আছে ১২ শতকের তৈরি ‘কুতুবিয়া মসজিদ’।  ৭৭ মিটার লম্বা মিনারা দেখতে খুবই আকর্ষণীয়।

ফেজ

মরক্কোর তৃতীয় বৃহত্তম শহর ফেজ। হ্যান্ডিক্র্যাফট ক্যাপিটাল হিসেবে এর বেশ সুনাম রয়েছে। ফেজের প্রধান আকর্ষণ চতুর্দিকে দেওয়ালঘেরা মেদিনা (বাজার)। সরু রাস্তা ও পুরোনো ঘিঞ্জি বাড়ি রয়েছে এখানে। ফলে গাড়ি চলে না। তাই মেদিনার ভেতরে যাতায়াতের জন্য হাঁটাহাঁটি বা গাধাই সম্বল।

মুলে ইদ্রিস

পাহাড়ের ওপর থেকে শহরটির দৃশ্য মন কাড়ে যেকোনো পর্যটকের। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) পৌত্র মুলে ইদ্রিস ৭৮৯ সালে অ্যাটলাস মাউন্টেনের কোলে একটি মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন। তাই স্থানটি মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্র স্থান হিসেবে বেশ পরিচিত। এ শহরের একেকটা বাড়ির দরজা যেন একেকটা নিদর্শন। দেয়ালে অসাধারণ মোজাইকের কাজ দেখা যায়। মজার বিষয়, এ শহরের পাহাড়ি গলিপথে চলাচলের একমাত্র মাধ্যম গাধা।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনকে