গত জানুয়ারি মাসে র্যাগিংয়ের অভিযোগে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। কিন্তু বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের দাবি, তারা র্যাগিং নয় অসুস্থ শিক্ষার্থীকে দেখতে গণরুমে যায়। পরে তাদের কথা না শুনেই সেসব শিক্ষার্থীদের বহিষ্কার করা হয়।
এই ঘটনার জন্য ১৭ ফেব্রুয়ারি তৃতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারাদেশ তুলে নিয়ে তাদের ক্লাসে ফেরার দাবি জানায়। আন্দোলনের এক পর্যায়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেয়। এতে প্রশাসনিক ভবনে আটকা পড়ে ভিসিসহ প্রায় ৫০ শিক্ষক।
.png)
র্যাগিংয়ের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দেয় শিক্ষক সমিতি। মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ক্লাস বা পরীক্ষা হয়নি।
শিক্ষক সমিতির নোটিশে জানানো হয়, র্যাগিং সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের শাস্তি বহাল এবং প্রশাসনিক ভবনে ভিসিসহ শিক্ষকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণে জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি পালন করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে র্যাগিং কখনোই কাম্য নয়। এতে কিছু শিক্ষার্থীদের শাস্তি পেতে হতেও পারে। তা সবার মেনে নিতে হবে।