একইসঙ্গে একাধিক দুর্যোগ সামলাতে সক্ষম স্বপ্নের পদ্মাসেতু
বিজয়ের মাসেই পুরো পদ্মা সেতু দৃশ্যমান হওয়ায় পদ্মা জয়ের স্বপ্নপূরণ হয়েছে। এদিকে পদ্মাসেতুর পুরো অংশ দৃশ্যমান হওয়ার পাশাপাশি জানা গেল নতুন তথ্য।
ভূমিকম্পসহ একসঙ্গে ভয়াবহ বহুমাত্রিক ধাক্কা-দুর্যোগ সামলে নেয়ার সক্ষমতা নিয়ে তৈরি করা হচ্ছে পদ্মাসেতু। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
পদ্মাসেতু নির্মাণাকারী কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ সেতু বিভাগের সাবেক এই সচিব জানান, সমসমায়িক বিশ্বে কোনো নদীতে নিমির্ত সবচেয়ে বড় প্রকল্প পদ্মাসেতু। নির্মাণাধীন এ সেতুকে বলা হয় বাংলাদেশের ‘স্বপ্নের সেতু’। কংক্রিট কাঠামোর খুঁটি ও ইস্পাতের স্প্যানের এই সেতু এতই শক্তিশালী যে রিখটার স্কেলে ৮ মাত্রার ভূমিকম্প সহনশীল।
তিনি আরো বলেন, যদি কখনো রিখটার স্কেলে ৮ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। আর ঠিক তখনই যদি পিলারের নিচে থেকে ৬৫ মিটার মাটি সরে যায়। একই সময় যদি পুরো সেতু রেল এবং যানবাহনে লোড থাকে। ওই সময় ৫ হাজার মেট্রিক টন ওজনের আরো একটি জাহাজ এসে সেতুর পিলারে ধাক্কা মারে তাহলেও পদ্মাসেতুর কিছুই হবে না।
জানা গেছে, পদ্মা সেতুর ‘ফ্রিকশন পেন্ডুলাম বিয়ারিংয়’র সক্ষমতা ১০ হাজার টন। এর আগে কোনো সেতুতে এট সক্ষমতার বিয়ারিং লাগানো হয়নি।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার পদ্মাসেতুর ১২ ও ১৩ নম্বর পিলারের ওপর ‘টু-এফ’ নামের ৪১তম স্প্যানটি স্থাপনের মধ্য দিয়ে বর্তমানে পুরো ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার সেতু দৃশ্যমান।