পানির ফিল্টার পরিষ্কারের সহজ উপায়
সুস্থ থাকতে বিশুদ্ধ পানি পানের বিকল্প নেই। বিশুদ্ধ পানির জন্য এখন বেশিরভাগ মানুষই ফিল্টার ব্যবহার করেন। তবে ফিল্টার কেবল ব্যবহার করলেই হবে না। নিতে হবে এর সঠিক যত্নও। নইলে এই ফিল্টারেই জীবাণু বাসা বাঁধতে পারে এবং রোগ বিস্তার করতে পারে।
ফিল্টার পরিষ্কারেরও রয়েছে কিছু নিয়ম। যা না জানা থাকলে পড়তে হবে বিপদে। তাই সঠিক নিয়মে ফিল্টার পরিষ্কারের পদ্ধতিটি জেনে নিন-
>> ফিল্টারে কখনোই গরম পানি ঢালা যাবে না। যেই ফিল্টারই কিনুন না কেন, কেনার আগে নিয়মাবলি ভালোভাবে বুঝে নিতে হবে।
.png)
>> পানি ব্যবহার না হলেও ফিল্টারের পানি প্রতিদিন বদলানো উচিত। তাই প্রতিদিন আপনার যতটুকু পানির প্রয়োজন হয়, ঠিক ততটুকু পানিই ফিল্টার দিন। বেশি দিন হলে পানি ফেলে দিতে হবে, নইলে দুর্গন্ধ হয়ে যাবে। মনে রাখবেন, পানিতে কোনোভাবেই শ্যাওলা জমতে দেওয়া যাবে না। সাত দিন পর পর ফিল্টারের সিরামিক পরিষ্কার করা উচিত। সাধারণত নেট ব্যাগ দিয়ে এটি পরিষ্কার করা যায়।
>> ফিল্টারের ভেতর কখনোই সাবান বা ডিটারজেন্ট দিয়ে ধোয়া যাবে না, একটা বাটিতে ডিশ ওয়াশিং লিকুইড গুলিয়ে নেট দিয়ে হালকা করে ভেতরটা পরিষ্কার করে নিয়ে তারপর পানি দিয়ে ধুতে পারেন। তবে বাইরের অংশ সাবান বা ডিটারজেন্ট দিয়ে ধোয়া যাবে।
>> ইলেকট্রনিক ফিল্টার ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে। ফিল্টার পদ্ধতির ভিন্নতা থাকতে পারে। এক এক মানুষ এক এক রকমের ফিল্টার ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু সবারই একটি কাজ করতে হবে। তা হলো সময়মতো ফিল্টারের কার্টিজ বদলানো। পানিতে কেমন ময়লা আসে তার ওপর ভিত্তি করে কার্টিজ বদলাতে হয়।
>> তাছাড়া এমনিতেই অন্তত ছয় মাস পরপর কার্টিজ বদলে ফেলতে হয়। আর পিউর ইট যদি ব্যবহার করেন, তাহলে সেখানে ইন্ডিকেটর আপনাকে জানিয়ে দেবে যে কখন আপনাকে বদলাতে হবে, তবে মূলত দেড় হাজার লিটার পানি ফিল্টার করার পরপরই ইন্ডিকেটর আপনাকে জানান দেবে। ফিল্টারে মাইক্রো ফাইবার ম্যাশ বা ছাঁকুনিটা পারলে প্রতি সপ্তাহে পরিষ্কার করুন। কার্টিজের সঙ্গে ছাঁকুনিটাও বদলান অন্তত বছরে দুবার।