ঢাকা,  সোমবার   ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩

[ আইন-আদালত ]

বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন আপিল বিভাগে

আদালত প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১২:০১, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন আপিল বিভাগে
ছবি: সংগৃহীত

পুরান ঢাকায় নৃশংসভাবে সংঘটিত বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের ওপর দ্রুত শুনানি সম্পন্ন করতে চেম্বার আদালতে বিশেষ আবেদন জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

এর আগে ২০১৭ সালের ৬ আগস্ট হাইকোর্ট এই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন। হাইকোর্টের রায়ে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া সাবেক ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন ছাত্রলীগের আট নেতাকর্মীর মধ্যে রফিকুল ইসলাম শাকিল ও রাজন তালুকদারের প্রাণদণ্ড বহাল রাখা হয়। বাকি ছয়জনের মধ্যে মাহফুজুর রহমান নাহিদ, এমদাদুল হক এমদাদ, জি এম রাশেদুজ্জামান শাওন ও মীর মো. নূরে আলম লিমনকে ফাঁসি কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সাইফুল ইসলাম ও কাইয়ুম মিঞা টিপুকে মামলা থেকে পূর্ণ খালাস দেওয়া হয়।

এছাড়া বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামি এ এইচ এম কিবরিয়া ও গোলাম মোস্তফাকে হাইকোর্ট খালাস দেন। তবে সাজা চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে আবেদন না করায় বিচারিক আদালতের দেওয়া বাকি ১১ জন আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল থেকে যায়।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর বিরোধী জোট ১৮ দলের ডাকা অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে নির্মমভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয় নিরীহ দর্জি দোকানি বিশ্বজিৎ দাসকে। দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করা এই ঘটনায় ২০১৩ সালের ৫ মার্চ ছাত্রলীগের ২১ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

পরবর্তীতে একই বছরের ১৮ ডিসেম্বর ঢাকার ৪ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ৮ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও ১৩ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের দণ্ডাদেশ প্রদান করেন। এরপর নিয়ম অনুযায়ী আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) নথিপত্র হাইকোর্টে পাঠানো হয় এবং একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা খালাস চেয়ে আপিল দায়ের করেন

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!