জুনিয়র মিশাকে মারধর: হিরো আলমের বিরুদ্ধে করা মামলা খারিজ
শুটিংয়ে টাকা না দিয়ে মারধর করার অভিযোগে হিরো আলমের বিরুদ্ধে নয়ন মণ্ডল ওরফে জুনিয়র মিশার করা মামলাটি খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।
সাত ধার্য তারিখে মামলার বাদী কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় ঢাকা মহানগর হাকিম আশেক ইমামের আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন। শনিবার সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্রে বিষয়টি জানা গেছে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, শুটিংয়ের টাকা না দিয়ে মারধর করার অভিযোগে ২০২০ সালের ২৩ জুলাই আশরাফুল ইসলাম আলম ওরফে হিরো আলমের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর হাকিম আতিকুর রহমানের আদালতে মামলা করেছিলেন জুনিয়র আর্টিস্ট নয়ন মণ্ডল ওরফে জুনিয়র মিশা।
আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দেন। তবে মামলার পর থেকে আদালতে হাজিরা দেয়নি জুনিয়র মিশা। ২০২২ সালের ১৮ জুলাই বাদী সাত ধার্য তারিখে কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন।
মামলার অভিযোগে নয়ন মণ্ডল ওরফে জুনিয়র মিশা বলেন, আমি হিরো আলমের সঙ্গে ‘সাহসী হিরো আলম’ ছবিতে সেকেন্ড ভিলেন (দ্বিতীয় খলনায়ক) হিসেবে অভিনয়ের জন্য ১৫ হাজার টাকা চুক্তি করি। চুক্তি অনুযায়ী গাজীপুরের মনপুরা শুটিং স্পটে অভিনয় করতে যাই। যেখানে কিছু দিন অভিনয় করি। এর মধ্যে ঢাকায় আসার সময় সে আমার হাতে ৫০০ টাকা ধরিয়ে দিয়ে বলেন, টাকা পরে দেব। আমি বাসায় এসে কিছুদিন পর তার মোবাইলে ফোন দেই। সে ফোনে আমাকে একদিন বলে কিসের টাকা পাবি তুই। তুই কোনো টাকা পাবি না।
তিনি আরো বলেন, এরপর সে আমার ফোন ধরত না। এরপর গাজীপুরে ছবির শুটিংস্থলে আমি যাই। টাকা চাইলে হিরো আলম আমাকে শুটিংয়ের দা দিয়ে আঘাত করে। কিল-ঘুষি মারে। আমি সেখান থেকে চলে আসি। এরপর ১৯ জুন এফডিসিতে মানববন্ধনে অংশ নিতে আমি যাই। হিরো আলম আমাকে সেখানে মারধর করেন। হিরো আলমের লোকজনের ভয়ে আমি জীবন নিয়ে শঙ্কায় আছি। তাই আমি আদালতে মামলাটি করি।