ঢাকা,  শনিবার   ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

[ আইন-আদালত ]

আসামিদের মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা নিয়ে আদালতে স্বজনরা

আবরার হত্যা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:১১, ২৮ নভেম্বর ২০২১
আসামিদের মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা নিয়ে আদালতে স্বজনরা
আসামিদের মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা নিয়ে আদালতে স্বজনরা

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার রায়ে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড শোনার প্রত্যাশা নিয়ে তার বাবা বরকত উল্লাহসহ বেশ কয়েকজন স্বজন আদালতে এসেছেন।

রোববার নয়টার পর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালতে হাজির হন। তারা এখনো ট্রাইব্যুনালে রয়েছেন।

রায়ে কী প্রত্যাশা করছেন এমন প্রশ্নের জবাবে আবরারের স্বজনরা বলেন, আমরা সব আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড আশা করছি।

এর আগে সকাল সাড়ে নয়টার পর ঢাকার কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কড়া নিরাপত্তায় ২২ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তাদের আদালতে হাজতখানা রাখা হয়।

এর আগে সকাল সাড়ে নয়টার পর ঢাকার কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ২২ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তাদের আদালতে হাজতখানা রাখা হয়।

গত ১৪ নভেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য ২৮ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।

এ মামলায় মোট ৪৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে। গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে আবরারকে তার কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে যান বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। তারা ২০১১ নম্বর কক্ষে নিয়ে গিয়ে আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করে। পরে রাত ৩টার দিকে শেরে বাংলা হলের সিঁড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই বছরের ৭ অক্টোবর রাজধানীর চকবাজার থানায় আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

পুলিশ পরে ২২ জনকে গ্রেফতার করে। এর মধ্যে আটজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এদের সবাই বুয়েট ছাত্রলীগের নেতাকর্মী।

আবরার ফাহাদ বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি শেরে বাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!